× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২৬ এপ্রিল ২০২৪, শুক্রবার , ১৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৭ শওয়াল ১৪৪৫ হিঃ

মৈত্রী এক্সপ্রেসের শ্লীলতাহানির ঘটনা /অভিযুক্ত বিএসএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে বয়ান দিয়েছেন এক সহকর্মী

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি
(৬ বছর আগে) ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৮, শুক্রবার, ১২:১১ অপরাহ্ন

মৈত্রী এক্সপ্রেসে বাংলাদেশি মহিলার শ্লীলতাহানির ঘটনায় অভিযুক্ত বিএসএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে বয়ান দিয়েছেন তাঁরই সহকর্মী। তিনিও সেদিন একই সঙ্গে মৈত্রী এক্সপ্রেসে ডিউটিতে ছিলেন। সহকর্মী বিএসএফ জওয়ান তদন্তকারীদের যে বয়ান দিয়েছেন তাতে তিনি জানিয়েছেন, সেদিন তিনি চলন্ত ট্রেনের এ-টু কামরার শৌচাগার থেকে  এক মহিলার গোঙানির আওয়াজ পেয়ে এগিয়ে গিয়ে দেখেন অভিযুক্ত জওয়ান তড়িঘড়ি শৌচাগার থেকে বেরিয়ে আসছেন। তিনি আরও জানিয়েচেন, তাঁর সহকর্মী অভিযুক্ত জওয়ান কিছুক্ষন আগে পাশের কামরায় ডিউটিতে ছিলেন। তবে তিনি সেই কামরায় এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছিলেন যেখান থেকে এ-টু কাম,রার শৌজাগারের উপর নজর রাখা যায়।  প্রত্যক্ষদর্শীর অভাবে ঘটনার তদন্ত এতদিন থমকে ছিল।  বাংলাদেশের মহিলার বয়ানও এখনও পর্যন্ত পাওয়া না যায়নি বলে জানিযেছেন রেল পুলিশের এক কর্তা। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে ভারতের আঞ্চলিক পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মাধ্যমে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে নির্যাতিতা মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানোর পাশপাশি তাঁকে কলকাতায় এসে জবানবন্দী দেবার অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে। গত ২২ শে জানুয়ারি কলকাতা স্টেশন থেকে মৈত্রী এক্সপ্রেস সকাল ৭-১০ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার পর দমদম ও ব্রারাকপুর স্টেশনের মাঝে শৌচাগারে যাবার সময় এক বাংলাদেশি মহিলা যাত্রীর শ্লীলতা হানির ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতা মহিলা এসে তাঁর স্বামীকে সব জানালে তিনি প্রথমে ট্রেনের টিকিট পরীক্ষকে সব জানান।
পরে লিখিতভাবে ভারতের প্রান্তিক স্টেশন গেদেতে ট্রেন থামলে স্টেশন ম্যানেজারকে লিখিতভাবে সমস্ত ঘটনা জানিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর সেই ট্রেনেই নির্যাতিতা মহিলা সপরিবারে ঢাকা চলে যান। মহিলা এ-টু কামরার যাত্রী ছিলেন। তার সঙ্গে স্বামী ছাড়াও দেবর ছিলেন। এই ঘটনা নিয়ে ট্রেনের যাত্রীরাও গেদে স্টেশনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপরেই রেল পুলিশ ঘটনা নিয়ে মামলা রুজু করেছে। দমদম রেল পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার পুনর্গঠনে তদন্তকারীরা মৈত্রী এক্সপ্রেসের এ-টু কামরায় সওয়ার হয়ে গেদে পর্যন্ত গিয়েছিলেন। বিএসএফ অবশ্য ঘটনার পরদিনই এক বিবৃতিতে জানিয়ে দেয় যে, ঘটনার সঙ্গে  ট্রেনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ৯৯ ব্যাটালিয়নের জওয়ান বীরান্না ভবির সংশ্লিষ্টতার প্রমান পাওয়া যাওয়ায় অভিযুক্তকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এছাড়া রেল কতৃপক্ষকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে ঘটনার পরদিন পূর্ব রেলওয়ের মুখপাত্র অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের যে তথ্য জানিয়েছিলেন তা সঠিক নয় বলে রেল পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর