× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা
ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার

ভবিষ্যতে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে

চলতে ফিরতে

| ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, শুক্রবার, ১:০০

ঢাকায় আট বছর কাজ করছেন ঝো মিংতং। মিনডি লাওশি নামেই পরিচিত। বাংলাদেশ-চীন ইয়ুথ সামার ক্যাম্প-২০১৭ আয়োজনে যিনি ছিলেন মুখ্য ভূমিকায়। বর্তমানে কনফুশিয়াস ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক পদে যুক্ত আছেন। ইয়ুথ ক্যাম্পের সফল আয়োজন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। এর উদ্দেশ্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, কতদূর এগিয়ে নিতে চান এই বাংলাদেশ-চীনের সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচিকে। মিংডি বলেন, ইয়ুথ সামার ক্যাম্প-২০১৭ অত্যন্ত সফল হয়েছে। চীন সরকারের মূল্যায়নও তেমনি। বাংলাদেশের তরুণদের সঙ্গে এই সম্পর্ক দিন-দিন আরো গভীরতর হতে থাকবে। চার বছর মেয়াদি এই সামার ক্যাম্প বা সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর তা আরো চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। শুধু ঢাকা থেকে শিক্ষার্থীরা কুনমিং গেছে এমনটি নয় সেখানকার
শিক্ষার্থীদেরও ঢাকায় নিয়ে আসার চিন্তা রয়েছে। এক্ষেত্রে বড় বাধা হচ্ছে অর্থের ব্যবস্থা করা। যদি সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতা পাওয়া যায় এ ধরনের আয়োজন আরো করা যেতে পারে। যেভাবে কনফুশিয়াস ইনস্টিটিউট ঢাকায় চীনা ভাষা শেখাতে কাজ করছে একইভাবে ভবিষ্যতে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়েও বাংলা ভাষা শেখার জন্য পৃথক বিভাগ চালুর চিন্তা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মিংডি। বলেন, চীন অনেক বড় দেশ। একেক জায়গার ভাষা একেক রকম। যেমন এক প্রভিন্সে শ্যাম্পু মানে ওয়াশ কিন্তু শাংহাইতে এর অর্থ দাঁড়ায় ইবধঃ অর্থাৎ মারা। কনফুশিয়াস ইনস্টিটিউট একটি স্ট্যান্ডার্ড চাইনিজ ভাষা বিশ্বব্যাপী পরিচয় করিয়ে দিতে কাজ করে। তিনি আরো জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরেও কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কনফুশিয়াস ইনস্টিটিউট চালু হচ্ছে। ধীরে ধীরে বাংলাদেশের অন্যান্য জেলা শহরেও এর কার্যক্রম বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর