× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা রম্য অদম্য
ঢাকা, ২২ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার

পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল পেলেই গ্রেপ্তার

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, মঙ্গলবার, ১০:০৭

চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কোনো উদ্যোগ কাজে না আসায় এবার পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরে এবং কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোনসহ কাউকে পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। এছাড়া পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কোনো পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশ না করলে তাকে আর  কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানে গত রোববার ‘জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত’ এক আদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (মাউশি), সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেল প্রশাসক (ডিসি) এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের এই নির্দেশ পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে সব পরীক্ষার্থীকে হলে প্রবেশ করে আসনে বসার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, কিছু কিছু কেন্দ্রে ওই সময়ের পরও পরীক্ষার্থীরা প্রবেশ করছে। এছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্রের আশপাশে অনেকেই স্মার্টফোন নিয়ে ঘোরাফেরা করছে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবং ‘প্রশ্নফাঁসের গুজবমুক্ত সুষ্ঠু পরিবেশ’ নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে দুটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে সব পরীক্ষার্থীকে আবশ্যিকভাবে হলে প্রবেশ ও আসন গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং ওই সময়ের পরে কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে কিংবা পরীক্ষা কেন্দ্রের অভ্যন্তরে মোবাইল ফোনসহ কাউকে পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষার সময় কেবল কেন্দ্র সচিব সাধারণ (স্মার্টফোন নয়) একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেন, যা দিয়ে ছবি তোলা যায় না। তবে ওই ফোনটিও কেন্দ্র সচিবের কক্ষে রেখে ব্যবহার করার নিয়ম। গত পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষার প্রশ্নই এবার পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে ফাঁস হয়েছে, সেই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসকারীকে ধরিয়ে দিতে ৫ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিলেও লাভ হয়নি। এক পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের পর ফেসবুক ও মেসেঞ্জার গ্রুপ থেকে পরের পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের বিজ্ঞাপন চলছে নিয়মিত। প্রশ্নফাঁস ঠেকানোর মরিয়া চেষ্টায় সরকার পরীক্ষা শুরুর সময় আড়াই ঘণ্টা ইন্টারনেট বন্ধ রাখার উদ্যোগ নিয়েও পরে সমালোচনার মুখে সরে আসে। এসএসসিতে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে করণীয় নির্ধারণে গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীরকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়। রোববার ওই কমিটির প্রথম সভায় আলমগীর জানান, প্রশ্নফাঁসে ব্যবহৃত ৩০০ মোবাইল ফোন নম্বর চিহ্নিত করে সেগুলো বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এসব মোবাইল নম্বরের মালিকদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযানেও নেমেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
shiblik
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, মঙ্গলবার, ৭:৪৫

এর পর কি নিষেধাজ্ঞা আসবে? চোখ বন্ধ করে হাঁটতে হবে, কানে তুলা দিয়ে রাখতে হবে, লম্বা শুতা/দড়ি/বাঁশ বা নকল সরবরাহের অন্যান্য করঞ্জাম, এক্সামিনার, পরীক্ষার্থীরা জামা কাপড় পরতে পাড়বে না...।

অন্যান্য খবর