ঢাকা, ২৮ মে ২০১৮, সোমবার

গাইবান্ধায় ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রী হত্যা

উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ৯:৪৪

নিখোঁজের ১০ দিন পর আঁখি আক্তার নামে ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রীর মরদেহ  গাইবান্ধার বোয়ালী ইউনিয়নের রাধাকৃষ্ণপুরের তিনগাছেরতল এলাকার কেজিবি নামে একটি ইটভাটার কাঁচা ল্যাট্রিনের কুয়া থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের দাবি তার মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ফেলে রাখা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তার কথিত প্রেমিক তোফায়েল আহম্মেদ তিতুকে আটক করেছে থানা পুলিশ। গাইবান্ধা সদর থানার ওসি খান মো. শাহরিয়ার জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে এলাকাবাসী তার লাশ ল্যাট্রিনের  কুয়ার ভেতরে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। তাকে ধর্ষণের পর খুন করে সেখানে ফেলে রাখা হয় বলে পরিবার সূত্র ধারণা করছে। বাড়ি থেকে সে ১০ দিন আগে নিখোঁজ হয়।  নিহত আঁখি আক্তার গাইবান্ধা সদরের গোদারহাট গ্রামে তার নানা আবদুল  আজিজের বাড়িতে থেকে গোদারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতো।  তাদের  বাড়ি পাশের ঘাগোয়া ইউনিয়নের  মাদ্‌রাসাপাড়া গ্রামে।  তাকে  প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতো ঘাগোয়া এমবি উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির ছাত্র বখাটে তোফায়েল আহমেদ তিতু। সে নিখোঁজ হলে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজ করে ব্যর্থ হলে থানায় অভিযোগ দিতে এসে মেয়ের মরদেহের খবর পান তারা। তারা এ খুনের ঘটনায় তিতুকেই দায়ী করছেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এ ব্যাপারে নিহতের বাবা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।