ঢাকা, ২৩ জুন ২০১৮, শনিবার

অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার পেলেন ৩৯ জন

স্টাফ রিপোর্টার | ১১ মার্চ ২০১৮, রোববার, ৯:৪৪

শিশু সাহিত্যে অবদানের জন্য গত ছয় বছরে ‘অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমী শিশুসাহিত্য পুরস্কারে’ ভূষিত হন ৩৯ জন। গতকাল তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে ১৪১৮ থেকে গত বছর ১৪২৩ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে নগদ অর্থ, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তার হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন বিজয়ী সাহিত্যিকরা। এ সময় মুহিত বলেন, ‘শিশু সাহিত্য রচনা করতে আলাদা ধরনের মানসিকতা থাকা দরকার। সবাই শিশু সাহিত্য লিখতে পারে না। হৃদয়ে শিশুদের জন্য বিশেষ জায়গা থাকতে হয়।’ অনুষ্ঠানে নারী ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, ‘আমরা এক সময় পৃথিবী থেকে চলে যাব। এই শিশুরা থাকবে। নেতৃত্ব দেবে। তাদের বেড়ে ওঠা সঠিক হতে হবে। এই বেড়ে ওঠায় বইয়ের বিকল্প নেই।’ বক্তব্যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোকিত দেশ গড়তে বর্তমানদের দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেন শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। উল্লেখ্য, ১৯৮১ সাল থেকে প্রতিবছর সাতটি শাখায় পুরস্কার দেয়া হলেও গত ছয় বছর নানা কারণে এই পুরস্কার দেয়া বন্ধ ছিল। প্রথমে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখককে পাঁচ হাজার টাকা করে দেয়া হতো। তা বেড়ে গত সাত বছর ধরে ১৫ হাজার টাকা করে দেয়া হচ্ছে। ২০১৬-২০১৭ সালের পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকরা হলেন- মারুফুল ইসলাম, আহমাদ উল্লাহ, মোশতাক আহমেদ, শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী, ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল, মশিউর রহমান, জামিল বিন সিদ্দিক, আবুল মোমেন ও উত্তম সেন। এতেও প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আরো বক্তব্য রাখেন, ইমিরেটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান, অন্যতম সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মইনুল ইসলাম, ইউপিএলের প্রতিষ্ঠাতা ইমিরেটাস প্রকাশক মহিউদ্দীন আহমেদ।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।