× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার

কিশোরগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে আঘাতকারী গ্রেপ্তার

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ থেকে | ১২ মার্চ ২০১৮, সোমবার, ৮:১০

কিশোরগঞ্জে প্রেমে ফাটল ধরায় এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ব্লেডের আঘাতে রক্তাক্ত করার ঘটনায় অভিযুক্ত মো. ইমরান (২১) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার মধ্যরাতে জেলার বাজিতপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আবু শামা মো. ইকবাল হায়াত, পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আরিফুর রহমান ও পরিদর্শক (ইন্টিলিজেন্স এন্ড কমিউনিটি পুলিশিং) এসএম শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া মো. ইমরান কিশোরগঞ্জের ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী এবং শহরের নগুয়া হাসমত উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় এলাকার বাসিন্দা মো. রতন মিয়ার ছেলে। গ্রেপ্তারের পর রোববার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ইমরান। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. একরামুল হক শামীম ১৬৪ ধারায় ইমরানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। অন্যদিকে ব্লেডের আঘাতে আহত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর নাম সৈয়দা ইলমি সুলতানা (২১)। সে ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী এবং তাড়াইল উপজেলার সেকান্দরনগর গ্রামের অ্যাডভোকেট সৈয়দ সেলিম জাহাঙ্গীরের মেয়ে।
অ্যাডভোকেট সৈয়দ সেলিম জাহাঙ্গীর সপরিবারের শহরের হারুয়া এলাকায় বসবাস করেন। শনিবার দুপুরে শহরের নীলগঞ্জ রোড এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে রিকশাযোগে বাসায় ফেরার পথে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের খরমপট্টি এলাকার ম্যাপল স্কুলের সামনে ইমরান তার সাথে থাকা ব্লেড দিয়ে ইলমির মুখমণ্ডলের বিভিন্ন অংশ ও ঘাড়ে উপর্যুপরি আঘাতে ক্ষতবিক্ষত করে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর বাবা অ্যাডভোকেট সৈয়দ সেলিম জাহাঙ্গীর বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় মো. ইমরানকে আসামি করে মামলা দায়েরের পর ইমরানকে ধরতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। এক পর্যায়ে শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাজিতপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর