× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার

বিশ্ব ঘুরে দেখার নেশা ছিল পিয়াসের

দেশ বিদেশ

জিয়া শাহীন, বরিশাল থেকে | ১৪ মার্চ ২০১৮, বুধবার, ৭:৫২

 একমাত্র ছেলে পিয়াস রায়কে হারিয়ে নগরীর নতুন বাজার এলাকার গফুর সড়কের মধুকাঠি ভবনের বাসিন্দা মা-বাবা বাকরুদ্ধ। ভাইকে হারিয়ে বোন শোকে স্তব্ধ। খবরটি শোনার পর থেকে গগন বিদারী আর্তনাদ করে কান্না ও জ্ঞান হারিয়ে ফেলার মধ্যেই রয়েছেন তারা। নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় পিয়াস রায়সহ অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হয়েছেন। গোপলগঞ্জের সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে পিয়াস। পরীক্ষা শেষে নেপালে ভ্রমণে গিয়ে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন তিনি। নগরীর বাসিন্দা নলছিটির চন্দ্রকান্দা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুখেন্দ্র বিকাশ রায় ও বরিশাল সরকারি পলিটেকনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পূর্ণিমা রায় দম্পত্তির একমাত্র ছেলে পিয়াস। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পিয়াসের ছিল বিশ^ ঘুরে দেখার নেশা।
এর আগেও বিভিন্ন দেশ ঘুরেছে তিনি। এমবিবিএস ফাইনাল পরীক্ষা দেয়ার পর তাই নেপাল ভ্রমণে যান তিনি। রোববার রাতে নগরী থেকে লঞ্চযোগে ঢাকা যান। নৌ-বন্দরে এগিয়ে দিতে গিয়ে শেষবারের মতো দেখা হয় বাবা-মায়ের সঙ্গে। গতকাল সোমবার ইউএস বাংলার ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নেপালের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। বিকালে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারে নেপালের বিমান দুর্ঘটনার কথা। বেসরকারি একটি টেলিভিশনে পিয়াসের ছবি দেখানো হয়েছে বলে পরিবারের এক সদস্য দাবি করেন। পিয়াস দুই ভাইবোনের মধ্যে বড়। ছোট বোন শুভ্রা রায় নগরীর গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজি প্রথম বর্ষের ছাত্রী। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ইউএস বাংলার প্লেন দুর্ঘটনায় নিহত পিয়াস রায়ের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নের মধুকাঠি গ্রামে।
দুই ভাই বোনের মধ্যে পিয়াস রায় ছিলেন বড়। ওর বোন শুভ্রা রায় রাজধানীর নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।


অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর