× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য প্রস্তুত নয় মিয়ানমার: জাতিসংঘ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার, ১১:৪২

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য এখনো প্রস্তুত নয় মিয়ানমার। দেশটিতে বিরল এক সফর শেষে এ কথা জানিয়েছেন জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় কর্মসূচির সহকারী মহাসচিব ৬ দিনব্যাপি মিয়ানমারের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি যা দেখেছি ও লোকের কাছ থেকে যা শুনেছি- সেখানে স্বাস্থ্যসেবার কোন সুযোগ নেই, সরক্ষার বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে, বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে- পরিস্থিতি ফিরে যাওয়ার মতন নয়। এ বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের একজন মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। তবে তাতে কোন সাড়া মেলেনি। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপি।
খবরে বলা হয়, ছয়দিনের সফরে মিয়ানমারের রাখাইন, শান ও কাচিন প্রদেশে যান মুয়েলার। সেখানে বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করার পর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে তার মন্তব্য জানান তিনি।
তবে মিয়ানমার সাওরকার অবশ্য বেশ কয়েকবার দাবি করেছে, তারা সেখানকার পরিস্থিতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের উপযোগী করে তুলেছে। রাখাইনে পুনর্বাসনের দায়িত্বে আছে এমন একটি সরকার-সমর্থিত সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক হচ্ছেন অং তুন থেত। এই সপ্তাহে স্থানীয় মিডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রত্যাবাসন নিয়ে বলেন, আমরা প্রস্তুত। ভবনগুলোও তৈরি। হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোও প্রস্তুত। আমাদের পক্ষে যা করা সম্ভব আমরা করেছি। তারা যদি নিরাপদ বোধ না করে তাহলে আমাদের আর কিছু করার নেই। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার জানুয়ারিতে দু’বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছাকৃত প্রত্যাবসনে সম্মত হয়েছে। এর জন্য মিয়ানমার দু’টি কেন্দ্র ও রাখাইনের পাশে একটি অস্থায়ী শিবিরও স্থাপন করেছে। তবে এখন পর্যন্ত মিয়ানমার মাত্র কয়েক’শ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য সনাক্ত করেছে।
মিয়ানমারে মুয়েলারকে বিরল প্রবেশাধিকার দেয়া হয়েছিল। তিনি রাখাইনের সংঘাত-কবলিত বেশিরভাগ এলাকাই পরিদর্শন করতে পেরেছেন। সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত প্রতিরক্ষা ও সীমান্ত বিষয়ক মন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। পাশাপাশি মিয়ানমারের নেত্রি অং সান সুচি ও বেসামরিক নাগরিকদের সঙ্গেও দেখা করেছেন। গত বছরের ২৫ শে আগস্ট শুরু হওয়া সামরিক বাহিনীর নৃশংস অভিযান থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুন্ঠন, ধর্ষণসহ বহু নির্মমতার অভিযোগ রয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর