ঢাকা, ১৭ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার

সিরিয়ার সামরিক বিমানবন্দরে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার, ১২:৫৫

সিরিয়ার এক সামরিক বিমানবন্দরে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় হতাহত হয়েছেন কয়েকজন। রাজধানী দামেস্ক এর নিকটবর্তী বিদ্রোহী- অধ্যুষিত এক শহরে রাসায়নিক হামলার অভিযোগ ওঠার একদিন পরেই হোমস শহরের নিকতে অবস্থিত তাইফুর বিমান ঘাটিতে এই ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালানো হয়। তবে কোথা থেকে এই হামলা চালানো হয়েছে সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। তবে ওই রাসায়নিক হামলায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল বিশ্ব নেতারা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রা¤প রাসায়নিক হামলার পর এক টুইটে জানান, এর জন্য চড়া দাম দিতে হবে। এছাড়া, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ‘পশু’ বলে বর্ণনা করেন তিনি। পরবর্তীতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রনের সঙ্গে ফোনে কথা বলে উভয়ে সম্মত হন যে, রাসায়নিক হামলার সত্যতা প্রমাণিত হলে এর বিরুদ্ধে মজবুত ও যৌথ পদক্ষেও নেয়া হবে। তবে বিমানবন্দরে ক্ষেপনাস্ত্র হামলার পরে যুক্তরাষ্ট্রের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা এই হামলা চালায়নি। এ খবর দিয়েছে বিবিসি ও বার্তা সংস্থা এএফপি।
খবরে বলা হয়, তাইফুর বিমান ঘাটিতে হামলার পর প্রাথমিকভাবে সিরিয়ার রাষ্ট্র পরিচালিত বার্তা সংস্থা সানা জানায় যে, এতা সন্দেহভাজন মার্কিন হামলা। তবে পরবর্তীতে হামলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স¤পর্ক থাকার কথা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে সিরিয়ার হামলা না চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় সিরিয়ায় কোন ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে না। তবে, আমরা সেখানকার পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং সিরিয়ায় যারা রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে তাদের জবাবদিহিতার জন্য ক’টনৈতিক প্রচেষ্টা ও অন্যান্য উপায় সমর্থন করছি। অন্যদিকে, দৌমার বিদ্রোহীরা সরকারি বাহিনীর সঙ্গে এক চুক্তিতে সম্মত হয়ে বাসে করে শহর ছাড়ছে। তারা সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বন্দী মুক্তির বিনিময়ে শহর ছাড়তে রাজি হয়েছে।
শনিবার দৌমায় রাসায়নিক হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয় উদ্ধারকর্মী ও বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ সংস্থা। হামলায় কমপক্ষে ৮৫ জন নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে, সিরিয়া ও রাশিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অঞ্চলটিতে হামলা অব্যাহত থাকায় বাইরে থেকে স্বতন্ত্রভাবে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা যায়নি। তবে ওই অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পরিম-ল। যুক্তরাজ্য তাৎক্ষণিকভাবে হামলার বিষয়ে একটি তদন্তের আহবান জানিয়েছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র শক্ত প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছে। এছাড়া, সোমবার(আজ) হামলার বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ আলোচনায় বসার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।