ঢাকা, ১৭ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার

পদত্যাগ করবেন ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক শীর্ষ মুখপাত্র

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার, ২:২২

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র মাইক্যাল অ্যান্টন হোয়াইট হাউস ছাড়ার পরিকল্পনা করছেন। এমনটা ঘটলে ট্রা¤প হারাবেন তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সবচেয়ে পুরাতন এক সমর্থককে। অ্যান্টনকে ট্রা¤প প্রশাসনে নিয়ে এসেছিলেন ট্রা¤েপর প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক্যাল ফ্লিন। শুক্রবার তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। বিদায় নিয়েছেন তিনি। তার জায়গায় নতুন নিরাপত্তা উপদেষ্টা হয়েছেন জন বল্টন। এখন ম্যাকমাস্টারের হয়ে কাজ করা বেশিরভাগ কর্মচারীই বল্টনের হয়ে কাজ করছেন। এ খবর দিয়েছে পলিটিকো।
খবরে বলা হয়, অ্যান্টন জানিয়েছেন, তিনি ওয়াশিংটনের ‘কনজারভেটিভ স্কুল’ হিল¯ে¬ড কলেজ এর কিরবি সেন্টার’এ একজন লেখক ও অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেবেন। তিনি বলেন, আমার দেশের সেবা করার ও প্রেসিডেন্ট ট্রা¤েপর নীতি বাস্তবায়নের সুযোগ দেয়ার জন্য আমি প্রেসিডেন্ট এর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকবো। ট্রা¤প প্রশাসনে যোগ দেয়ার পূর্বে অ্যান্টন ট্রা¤েপর প্রচারণা শিবিরের পক্ষে কাজ করতেন। তখন বেশকিছু ঘটনায় তিনি একজন বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পান। বিশেষ করে বাণিজ্য, অভিবাসন ও পররাষ্ট্র নীতির চরম সমর্থন করতেন তিনি।
হোয়াইট হাউসে ম্যাকমাস্টারের সময় শেষ হয় শুক্রবার। সোমবার(আজ) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বল্টন নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব নেবেন। এর মাঝেই বিদায় নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অ্যান্টন। তবে, বিদায়ের ঘোষণা দিলেও, কবে হোয়াইট হাউস ছাড়ছেন সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি অ্যান্টন। তবে ধারণা করা হচ্ছে আসন্ন সপ্তাহগুলোতেই পদত্যাগ করবেন তিনি। এদিকে, হোয়াইট হাউসের ভেতরে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বেশ সুস্মপর্ক ছিল অ্যান্টনের। ম্যাকমাস্টার ও প্রেসিডেন্টের মধ্যকার স¤পর্ক এতদিন টিকিয়ে রাখার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রয়েছে তার। হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি সারাহ হুকাবে স্যান্ডার্স বলেন, তার(অ্যান্টন) স¤পর্কে ভালো ছাড়া আর কিছু বলার নেই বলার নেই প্রেসিডেন্টের। অ্যান্টনের সঙ্গে নিজের স¤পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, আমি যাদের সঙ্গে কাজ করেছি তাদের মধ্যে মাইক্যাল সবচেয়ে বুদ্ধিমান ও প্রতিভাবানদের একজন। আর এটাতো বলার অপেক্ষা রাখে না, সে একজন অসাধারণ শেফ। এসময় অ্যান্টনকে একজন সত্যিকারের বন্ধু বলে বর্ণনা করেন স্যান্ডার্স।
এদিকে, হিল¯ে¬ড কলেজ ও দ্য ক্লেয়ারমেন্ট ইন্সটিটিউটের বিষয়ে অ্যান্টন বলেন, আমি সেখানে যে, শিক্ষা ও বন্ধু পেয়েছি সেগুলো আমার পরিবার ও দেশ ব্যতিত আমার জীবনের সবচেয়ে ¯েœহের জিনিস। আমি আমার প্রথম প্রেম ও দ্বিতিয় পরিবারের কাছে ফিরে যেতে পেরে খুবই আনন্দিত।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।