ঢাকা, ২৭ এপ্রিল ২০১৮, শুক্রবার

বেগমগঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী থেকে | ১৬ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার, ৯:৩২

বেগমগঞ্জের সুলতানপুর হানিফ ভুঁইয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক এমএ সালাম মোস্তফার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে শ্লীলতাহানির বিচার চেয়ে অভিযোগ করেছেন স্কুলের মহিলা দপ্তরি শাহীন আক্তার। এলাকাবাসী, ওই স্কুলের মহিলা দপ্তরি শাহীন আক্তার দীর্ঘ আট বছর যাবৎ ওই স্কুলে চাকরি করে আসছে। ভিকটিম শাহীন আক্তার ইউএনওর বরাবরে লিখিত অভিযোগে জানায়, প্রধান শিক্ষক এমএ সালাম মোস্তফা বিভিন্ন সময়ে আমাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ধাপে ধাপে ১৮ই মার্চ, ২০শে মার্চ ও ২৭শে মার্চ বিদ্যালয় ছুটির পর আমি শ্রেণি কক্ষে দরজা, জানালা বন্ধ করার সময় ওই প্রধান শিক্ষক মোস্তফা স্যার এসে আমাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে মুখ চেপে ধরে আমার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। অনেকক্ষণ ধস্তাধস্তির পর মোস্তফা স্যারের হাত থেকে প্রাণে রক্ষা পেয়ে কক্ষ থেকে বের হয়ে দ্রুত বাড়িতে চলে যাই। বারবার উনার এ রূপ আচরণে বাধ্য হয়ে বিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্মচারীকে অবগত করলে মোস্তফা স্যার ক্ষিপ্ত হন। এক পর্যায়ে আমাকে তিনি চাকরিচ্যুত করেন। নিরুপায় হয়ে উপরি-উক্ত বিষয়ের আলোকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার আর্তি জানান। বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মানবজমিনকে জানান, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মানিক লাল সরকারকে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য আদেশ দেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলি আশ্রাফ মানবজমিনকে বলেন তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর ইউএনও স্যারের নির্দেশ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এমএ সালাম মোস্তফার ফোনে দফায় দফায় যোগযোগ করার পর একপর্যায়ে তার স্ত্রী মোবাইল ফোন রিসিভ করে বলেন, উনি ফোনের কাছে নেই। প্রথমে বলেন একটি ফোন উনার কাছে রয়েছে। নম্বর জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুটি ফোনই বাড়িতে রেখে গেছেন। এ নিয়ে স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ ও অসন্তোষ চলছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।