× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা রম্য অদম্য
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর ২০১৮, শুক্রবার

মস্কোয় ট্রাম্পের পতিতাবাস? সম্ভব বললেন কমি

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৬ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার, ১০:০০

এমনটা অসম্ভব নয় যে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে ডনাল্ড ট্রাম্প ২০১৩ সালে মস্কোর একটি হোটেলে পতিতাদের সঙ্গে রাত কাটিয়েছেন। এমন মন্তব্য সাবেক এফবিআই প্রধান জেমস কমির। নিজের আত্মজীবনী প্রকাশকে সামনে রেখে সম্প্রতি মার্কিন টিভি চ্যানেল এবিসি নিউজকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ট্রাম্পের হাতে বরখাস্ত হওয়া সাবেক এই এফবিআই প্রধান। ওই সাক্ষাতকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়, ট্রাম্পের বিষয়ে সাবেক এক বৃটিশ গোয়েন্দার বানানো ডোশিয়ারে যেসব দাবি তোলা হয়েছে, তা সঠিক কিনা।
ওই ডোশিয়ারে ট্রাম্পের বিষয়ে বহু বক্তব্য রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো, তিনি রাশিয়ায় একটি হোটেলে পতিতাদের সঙ্গে রাত কাটিয়েছেন। এছাড়া অদ্ভুত কিছু আচরণও করেছিলেন। পুরো ঘটনার রেকর্ড রয়েছে রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার কাছে।
এ ব্যাপারে কমিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি সৎভাবে বলছি, আমি কখনই ভাবিনি এই শব্দগুলো আমার মুখ থেকে বের হবে। কিন্তু সত্য হলো যে, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মস্কোতে ২০১৩ সালে পতিতাদের সঙ্গে ছিলেন কিনা, তা আমার জানা নেই। তবে এমনটা ঘটা সম্ভব। কিন্তু আমি জানি না ঘটেছে কিনা।’
কমি ওই সাক্ষাৎকারে আরও বলেন, ট্রাম্প তাকে একবার জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আমাকে কি দেখতে এমন লোকের মতো মনে হয় যার পতিতা প্রয়োজন?’
জেমস কমি এবিসি নিউজের জর্জ স্টিফানোপোলাসকে বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার কিছুকাল পরই ট্রাম্পের সঙ্গে তিনি দেখা করেন। দেখা করার উদ্দেশ্যই ছিল, মস্কোয় পতিতাদের সঙ্গে যৌনাচারের অভিযোগ সম্পর্কে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা হলো। কমি সেই কথোপকথনের বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘আমি তাকে বলতে শুরু করলাম যে, অভিযোগ রয়েছে যে আপনি ২০১৩ সালে মস্কোয় মিস ইউনিভার্স সুন্দরী প্রতিযোগিতা চলাকালে পতিতাদের সঙ্গে ছিলেন। ওই পুরো ঘটনা রাশিয়ানরা ধারণ করেছে। ট্রাম্প বেশ রক্ষণাত্মকভাবে নিজের পক্ষে কথা বলতে শুরু করেন। বলেন, ‘আমাকে দেখে কি ওই লোকেদের মত মনে হয় যাদের পতিতা প্রয়োজন?’’
কমি আরও বলেন, ‘আমি ধরে নিই তার ওই প্রশ্ন ছিল বাগাড়ম্বর। আমি তার জবাব দিইনি। আমি তখন প্রসঙ্গ থেকে সরে ব্যাখ্যা করার সুরে বললাম, স্যার, আমি বলছি না যে আমরা এসব বিশ্বাস করছি বা গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের মনে হয়েছে, এই বিষয়টি আপনার জানা দরকার।’
জেমস কমির এই সাক্ষাৎকার প্রচারের পর ট্রাম্প টুইটারে জবাব দেন। তিনি লিখেন, ‘কমি একজন প্রমানিত মিথ্যাবাদী ও খবর ফাঁসকারী। তাকে বরখাস্তের আগে ওয়াশিংটনের প্রত্যেকের মনে হয়েছে তাকে বরখাস্ত করা উচিত। তিনি গোপন তথ্য ফাঁস করেছেন। এ জন্য তার বিচার হওয়া উচিত। তিনি শপথ নিয়ে কংগ্রেসে মিথ্যা কথা বলেছেন।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর