ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০১৮, রোববার

সৌদি আরব পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক | ১৬ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার, ১০:৪৭

সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরব পৌঁছেছেন। গতকাল স্থানীয় সময় ৭টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি দাম্মামের বাদশাহ ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে এ সময় সৌদি আরবের সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মুহাম্মদ বিন ফায়সাল আবু সাক, দাম্মামের গর্ভনর সৌদ বিন নায়েফ বিন আব্দুল আজিজ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ, ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহ আলম ও দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী আজ সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় আল জুবাইল প্রদেশে অনুষ্ঠিতব্য ‘গালফ শিল্ড-১’ নামের একটি যৌথ সামরিক মহড়ার কুচকাওয়াজ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।


E.Huda

১৬ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার, ১:০৫

সংযুক্ত আরব আমিরাতে এখন নতুন শ্রমিকের এক রকম আকাল যাচ্ছে। অথচ বাংলাদেশী শ্রমিকেরা চড়া মূল্যে ভিসা কিনে সৌদিআরব গিয়ে কাজের অভাবে অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। আত্মাহুতি দেয়ার মত ঘটনা পর্যন্ত ঘটতে দেখা যাচ্ছে। জানা অজানা নানা কারনে বাংলাদেশীদের জন্য আরব আমিরাতের শ্রমবাজার বন্ধ গত প্রায় ৬ বছর থেকে, এ সুযোগে ভারত পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশের শ্রমিকে সয়লাব আরব আমিরাতে গত কয়েক মাস থেকে নতুন শ্রমিকের অভাব চরম আকার ধারন করেছে। ভারতের শ্রমিকেরা বিনা খরচে ‍কিংবা নাম মাত্র খরচে আসার সুযোগ পাওয়া সত্বেও তাদের কাছে সুযোগটা ‘তেলা মাথায় তেল দেওয়ার মত’ ঠেকছে। বাংলাদেশের জনশক্তি রাফতানির সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন সময় নানান আশ্বাস বানী শুনা গেলেও এ দেশে বাংলাদেশীদের ভিসা চালু হওয়ার ব্যপারটি এখনো ঝুলন্তই রয়ে গেল। অভিজ্ঞ মহলের বিশ্বাস শ্রমিকের অপ্রতুলতার এ সময়টিতে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় থেকে আরব আমিরাতের সাথে জোরালো ও কার্য্যকর তৎপরতা চালাতে পারলে বাংলাদেশীদের জন্য এ দেশের শ্রমবাজার উম্মুক্ত হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হতে পারত। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ‍কি গুরুত্বের সাথে ব্যপারটি বিবেচনায় নেবেন?

Akhter Hossain Raju

১৬ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার, ১২:৪৬

E.Huda ভাইয়ের লিখার সাথে আমি সম্পূর্ন একমত, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের লোক এব্যাপারে লভিং করা উচিত, সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশিরা বরই অসহায়ত্ব ভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে দিনাতিপাত করিতেছে, হাজার,হাজার শ্রমিক দীর্ঘ দিন ভিসা জটিলতায় ভূগিতেছে, সরকারি উচ্ছ পর্যায়ের মন্ত্রীরা অন্য দেশে না যেয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটু বেশি করে লভিং করলে হয়তো এতদিনে ভিসার জটিলতা নিরোশন হত, এতে যেমনি সাধারন শ্রমিকেরা উপকৃত হত তেমনি বাংলাদেশে যেত প্রচুর পরিমান রেমিটেন্স যাহা বাংলাদেশ উন্নয়নশিল দেশে স্থায়িত্ব হতে অনেক ভূমিকা রাখতো, আশা রখি সরকার, মন্ত্রীপরিষদ,আমলারা এ বিষয়ে একটু বেবে দেখবেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবী থেকে---- আকতার হোসাইন রাজু।