× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার

শাহবাগে মুক্তিযোদ্ধাদের মহাসমাবেশ ২৪ শে এপ্রিল

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ১৬ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার, ৩:২৭

জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষা ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার লক্ষ্যে শাহবাগে ২৪ শে এপ্রিল বেলা দুইটায় মুক্তিযোদ্ধাদের মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন পরিষদ। আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৪শে এপ্রিলের সমাবেশ থেকে জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষা ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার লক্ষ্যে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে জানান মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন পরিষদ নেতারা।
সংবাদ সম্মেলন শেষে মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবদুল আহাদ চৌধুরী বলেন, ‘এই কোটার নাম করে কেন মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা হলো? আমরা তো বাকি জীবন একটা গৌরব নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলাম। আমরা কোটা নিয়ে মোটেও আন্দোলন করছি না। এটা সরকারের বিষয়। কোটা সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।’
এর আগে বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল আহাদ চৌধুরী লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘অতি সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র চালাকির সঙ্গে ছাত্রছাত্রী ও যুবকদের মাঝে ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টি করেছে। তারা অরাজকতা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সরাসরি আঘাত করেছে। দেশের মুক্তিযোদ্ধা, পরিবার ও দেশপ্রেমিক জনগণকে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে আহত করেছে।
তাদের জানাতে চাই, মুক্তিযোদ্ধাদের মান না দাও, অপমান করো না।’
মুক্তিযোদ্ধাদের ছয়টি নিবন্ধিত সংগঠন নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন পরিষদ গঠিত। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্যসচিব মো. মিনহাজুর রহমান, আবদুস সালাম মজুমদার, সেলিম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
shiblik
১৬ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার, ৯:১৬

Why should the "freedom fighters" and their grandchildren get financial benefits and quota, but those people who supported the war of independence with food, shelter, information, etc, would not get any benefit? The quota has created a permanent greedy class of people.

Sk.lokman.hossain
১৬ এপ্রিল ২০১৮, সোমবার, ৬:৫২

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে মহান আল্লাহ্ সাহায্য করছেন বলেই আপনি মান সম্মানের এবং গৌরবের সাথে দেশ পরিচালন করে যাচ্ছেন । আপনার সুনাম পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। যা দেখে বিএনপির ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে মুক্তি যোদ্ধাদের মধ্যে লাখ লাখ ভূয়া মুক্তি যোদ্ধা রহিয়াছে। আসল মুক্তি যোদ্ধাদের চেয়ে ভূয়া মুক্তি যোদ্ধাদের দাপট বেশি । এরাই দেশের ক্ষতি করার পিছনে লেগেছে। এই ভূয়া সকল মুক্তি যোদ্ধাদেরকে যত তাড়াতাড়ি বাদ দেওয়া যায় ততই আপনার জন্য এবং দেশের জন্য মঙ্গলজনক হইবে। দয়া করে ভূয়া মুক্তি যোদ্ধাদেরকে বাদ দেওয়ার পদক্ষেপ নিবেন। এই আমার অনুরোধ।

অন্যান্য খবর