× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার

বিএনপির আন্দোলন ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একসঙ্গে চলবে: নোমান

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার, ৯:০৪

বিএনপির আন্দোলন ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একসঙ্গেই চলবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। তিনি বলেছেন, এ বছরের শেষে দেশে একটি নির্বাচন হবে। আর সেই নির্বাচনে আমরা অংশগ্রহণ করব। তার আগে আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ বিএনপি ও অঙ্গ দলের কারাবন্দি হাজার হাজার নেতাকর্মীকে মুক্ত করব। এ জন্য বন্দি মুক্তি আন্দোলন করব। আমাদের আন্দোলন ভোট থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজের ৬ বছর অতিবাহিত হওয়ার প্রতিবাদ ও তার সন্ধানের দাবিতে আয়োজিত গতকাল দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম আয়োজিত যুব সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। নোমান বলেন, বর্তমান সরকারের অমানবিক আচরণ ও নির্যাতনের কারণে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।
আমরা আর পেছনে যেতে পারবো না। আমরা পেছনে না গেলে আওয়ামী লীগ সামনের দিকে আসবে। আর সামনের দিকে এলে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। আমরা সেই সাংঘর্ষিক পরিস্থিতিকে এড়িয়ে যেতে চাই। তাই আমরা বারবার আন্দোলন ও ভোটের কথা বলে যাচ্ছি। আমরা নির্বাচনকে বাদ দিয়ে কেবল আন্দোলনে যেতে চাই না। প্রবীণ এ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আছেন, আমরা তার কণ্ঠ শুনতে পাই। তিনি যে হিংসাত্মক বক্তব্য দেন তাতে আমাদের নেতাকর্মীরা তা প্রতিহত করার শক্তি পায়। তাই আমরা সবসময় তার বক্তব্যকে স্বাগত জানাই। নোমান বলেন, সংবিধান সংশোধনীর ফলে নির্বাচন অর্থবহ হবে না। তাই এটা (নিরপেক্ষ নির্বাচন) আমাদের আদায় করে নিতে হবে। এ কারণে সংবিধান আবারো সংশোধন করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করতে হবে। দেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হবে। এটাই আমরা চাই। জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আসন্ন গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও আমরা সেনাবাহিনী মোতায়েন চাই। এটা আজ জাতির দাবি। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত তিনি। আর এরশাদ আমাদের চেয়ে একটু ভালো জানবেন। কারণ, কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলাদাভাবে মিটিং করেছেন। আর সেই মিটিংয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এরশাদ উপলব্ধি করতে পেরেছেন, শেখ হাসিনা অনেক দুর্বল হয়ে গেছেন। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ক্ষমতার ভাগ নিতে হবে।
আর ভাগটা এবার যথোপযুক্তভাবে নেবেন বলে এরশাদ আশা ব্যক্ত করেছেন। আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে যুব সমাবেশে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বক্তব্য দেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর