× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, রবিবার

শাহবাগে মুক্তিযোদ্ধাদের মহাসমাবেশ ২৪শে এপ্রিল

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার, ৯:০৬

সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রতিবাদে আগামী ২৪শে এপ্রিল শাহবাগে মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন পরিষদ। গতকাল দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আহাদ চৌধুরী বলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের যে আন্দোলন তা প্রতিহত করতে মঙ্গলবার দুপুর ২ টায় শাহবাগ চত্বরে এই সমাবেশ করবেন তারা। তিনি বলেন, আমরা কোনো সুযোগ-সুবিধা কিংবা কিছু পাওয়ার আশায় জীবনবাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধ করিনি। কোটা আমরা কখনও চাইনি। আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ কোটার ব্যবস্থা করেছিলেন। তবে অতি সমপ্রতি তথাকথিত কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র চাতুরতার সঙ্গে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী ও যুবকদের মাঝে ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশব্যাপী অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। যা মূলত মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সরাসরি আঘাত।
একদল কুচক্রি মহল এসব ছাত্রদের দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করিয়েছে।
যারা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করলো তাদের বিচার কি আমরা পেতে পারি না? ৩০ শতাংশ কোটা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রয়োজন আছে কিনা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা সরকারের বিষয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন কোটা থাকবে না। সেটা হলে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। প্রধানমন্ত্রী যেটা করবেন সেটাতেই আমরা রাজি। আমরা বিশ্বাস করি মুক্তিযোদ্ধাদেরকে বঙ্গবন্ধুর দেয়া যে কোনো সুবিধা নেত্রী দিতেও পারেন আবার নাও দিতে পারেন। মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের প্রতি ইতিপূর্বে জননেত্রী যে শ্রদ্ধাবোধ দেখিয়েছেন তাতে আমরা গর্বিত। আমরা বিভ্রান্ত হওয়া ছাত্র-ছাত্রী ও যুবকদের কাছে ব্যথিত হৃদয়ে বলতে চাই, তোমরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান না দাও, কিন্তু অপমান করিও না। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান আরও বলেন, বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধারা প্রতমাসে ১০ হাজার টাকা ভাতা পান। এমনও মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে এ টাকা দিয়ে তাদের চিকিৎসা ব্যয়ই মেটে না। স্বাধীনতার পর থেকে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা থাকলেও সেটা কি আদৌ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা পেয়েছে? সব মিলিয়ে গড়ে ৫ শতাংশ কোটাও মুক্তিযোদ্ধারা পায়নি। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব আলহাজ মিনহাজুর রহমান, আবদুস সালাম মজুমদার, সেলিম চৌধুরী প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর