ঢাকা, ২০ জুলাই ২০১৮, শুক্রবার
কোটা সংস্কার আন্দোলন

‘তিন নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিলো’

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার, ১:১০

কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম তিন নেতা নুরুল হক নূর, মোহাম্মদ রাশেদ খাঁন ও ফারুক হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছিলো বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন। আজ ডিএমপির মিড়িয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। এসময় তিনি বলেন,ছাত্ররা যে দাবি করছেন, তাদের চোখ বেঁধে আনা হয়েছে, এটা ভুল বোঝাবুঝি। মূলত ভিসির বাসায় হামলার তদন্তের স্বার্থে নেতৃস্থানীয় শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবিতে আনা হয়েছিলো। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সহযোগীতা চাই এবং আন্দোলনকারীরাও ভিসির বাসায় হামলার তদন্ত চায়। আব্দুল বাতেন আরো বলেন, ভিসির বাসায় হামলার একাধিক ভিডিও এবং ছবি আছে। আসামিদের চিহ্নিত করার জন্য তাদের আনা হয়েছিলো। যাদের আনা হয়েছে তারা চোরও না ডাকাতও না। এর আগেও অনেক ছাত্রকে এখানে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

[শুভ্র/এফএম]

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।


Ishtiaque Ahmed

১৭ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার, ১:৫৬

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আল-বদর কায়দায় চোখ বেঁধে কেন? কার ভুল বোঝাবুঝি? কে ভুল বুঝল?

kazi

১৭ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার, ১:২০

অপহরণকারীরা চোখ বাঁধে। আইনের লোক অপহরণকারীদের অনুসরণ করে চোখ বাঁধবে কেন। তাহলে পার্থক্য কোথায় রইল অপহরণকারী ও আইন প্রয়োগকারির মধ্যে।

সৈয়দ হাসানুজ্জামান

১৭ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার, ১:৪৭

আলবদর আলসামসরা পাকবাহিনীর সহায়তায় যেভাবে আমাদের বুদ্ধিজীবিদের ধরে নিয়ে যেত সেভাবে চোখ বেধে আমাদের ছেলেদের কেন নিয়ে গেলেন, স্বাধীন দেশে কাউকেই চোখ বেধে নিয়ে যেতে পারেন না,সুপ্র‌িম কোর্ট‌ের নির্দেশনা ও রয়েছে,আপনারা আইন কবে মানবেন...???

nurul alam

১৭ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার, ৪:১১

দেশের নির্বাহী প্রধান যখন কোটা বাতিলের ঘোষণা দিলেন তখন কোটা আন্দোলন যে যৌক্তিক ছিল তা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেল । তাহলে কেন এদের জিজ্ঞাসাবাদ ? আর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চোখ বাঁধা ! এরা কী চোর না ডাকাত ? এখন বলা হচ্ছে তাদের চোখ বাঁধা হয়নি । তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার যৌক্তিকতাই-বা কী এবং কেন ? তার মানে আমরা ধরে নিতে পারি কোটা বাতিলের পেছনে কোন দুরভিসন্ধি লুকিয়ে আছে । আর সে নিরিখেই এদের শায়েস্তা করার পরিকল্পনা !

Didar

১৭ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার, ৩:১৫

আব্দুল বাতেন ও রাজনীতি করে। তা নাহলে এমন মিথ্যা তিনি বলতে পারতেন না। মিথ্যে না বলে ঐ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও তো হতো।

akteruzzaman rafi

১৭ এপ্রিল ২০১৮, মঙ্গলবার, ৪:২১

গুম করার উদ্দেশ্যেই চোখ বাধা হয়েছে আমাদের ছাত্র নেতাদের