× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা রম্য অদম্য
ঢাকা, ২২ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার

আমিরাতি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নেতানিয়াহুর সাক্ষাৎ?

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৪ মে ২০১৮, সোমবার, ১২:৫৮

মার্চে ওয়াশিংটন সফরকালে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সাক্ষাৎ করেছেন আমেরিকায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ আল ওতাইবার সঙ্গে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরাইলকে সমর্থন করে না আরব আমিরাত, তবুও ওতাইবার আগ্রহেই ওই বৈঠক হয়। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। খবরে বলা হয়, মার্চ মাসে তিন দিনের সফরে ওয়াশিংটনে অবস্থান করছিলেন নেতানিয়াহু। তিনি একটি রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার খেতে গেলে, সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন ওতাইবা। ওয়াশিংটনে বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে অন্যতম প্রভাবশালী বলে বিবেচিত ওতাইবা নেতানিয়াহুর অবস্থান সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর তিনি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রী সারাকে নিজের টেবিলে আমন্ত্রণ জানান। তার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে নেতানিয়াহু ওতাইবার টেবিলেই ডিনার সারেন। এ সময় দুই জনের মধ্যে পলিসি সংক্রান্ত কিছু আলাপচারিতা হয়।
বিদায়বেলায় দু’জন করমর্দনও করেন।
প্রসঙ্গত, আরব আমিরাত ও ইসরাইলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও, ইরান নিয়ে দুই দেশের দৃষ্টিভঙ্গি একই। দুই দেশই ছিল ইরান পারমাণবিক চুক্তির কঠোর সমালোচক, যেখান থেকে এ সপ্তাহের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ওতাইবার সঙ্গে আমেরিকায় নিযুক্ত ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত রন ডারমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে। ২০১৫ সালে কংগ্রেসে ইরান পারমাণবিক চুক্তির বিরুদ্ধে নেতানিয়াহু যে বিতর্কিত ভাষণ দিয়েছিলেন, সেখানে ওতাইবাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ডারমার। তবে ওতাইবা ওই আমন্ত্রণ ভদ্রভাবেই প্রত্যাখ্যান করেন। তবে নেতানিয়াহুর সঙ্গে পারস্য উপসাগরীয় কোনো দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সাক্ষাৎ খুবই বিরল একটি ঘটনা। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে ইসরাইলি পত্রিকা হারেৎস জানায়, ২০১২ সালে নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর হোটেল কক্ষে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। ওই সাক্ষাতে দুই নেতাই ইরানের পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে অভিন্ন মত প্রকাশ করলেও, আমিরাতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনি শান্তি প্রক্রিয়ায় ইসরাইল কোনো অগ্রগতি আনতে না পারলে তার দেশ ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করতে পারবে না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর