ঢাকা, ২৭ মে ২০১৮, রোববার

ভোট ডাকাতির অভিযোগ মঞ্জুর মিথ্যাচার

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে | ১৭ মে ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ১০:২০

খুলনা সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, ভোট ডাকাতির অভিযোগ বিএনপির মিথ্যাচার। ভোটে হেরে বিএনপি এখন আবোল-তাবোল বকছে বলে খালেক মন্তব্য
করেন। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তালুকদার খালেক বলেন, খুলনা মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ যেখানে রেখে আমি মেয়র পদ ছেড়েছিলাম সেখান থেকেই আবার শুরু করবো। একই সঙ্গে সততা, নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে খুলনা মহানগরীকে দুর্নীতিমুক্ত খুলনা সিটি করপোরেশন উপহার দেবো। তিনি খুলনা মহানগরীকে মাদকমুক্ত করার জন্য সব প্রচেষ্টা চালাবেন বলেও অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন। গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা প্রেস ক্লাবের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন ।
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ব্যাপক ভোট ডাকাতির অভিযোগ এনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর একশত কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবির বিষয়ে তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, আমি শুনেছি তিনটি কেন্দ্রে কিছু সমস্যা হয়েছে। তাই বলে একশ কেন্দ্রে আবার ভোট গ্রহণ করতে হবে এমন দাবি কেউ মেনে নেবে না। আগামী জাতীয় নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই তিনি এমন দাবি করেছেন। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে যদি তারা জয় লাভ করতো তাহলে নির্বাচন ঠিক হতো আর এখন পরাজয় মেনে নিতে না পেরে তার আবোল-তাবোল বকতে শুরু করেছে। কিন্তু ২০১৩ সালের নির্বাচনে আমি তো পরাজিত হয়েছিলাম। কিন্তু কোনো কথা বলিনি।
মাদক মুক্ত খুলনা মহানগরী উপহার দেয়ার অঙ্গীকার করে খালেক বলেন, আমি খুলনা মহানগরীকে মাদকমুক্ত করবো। মাদকের সঙ্গে আমার দলেরও কেউ যদি জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সঙ্গে চরমপন্থীদের সখ্য ছিল। তারাই নির্বাচনে তাদের ব্যবহার করেছে। কিন্তু তারা যখন চরমপন্থীদের সামলাতে পারেনি তখন আইন করে তাদের ধরে ক্রসফায়ার দিয়েছে। আমরা সন্ত্রাসী ও চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবো।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।


robiul

১৬ মে ২০১৮, বুধবার, ৫:১৬

বাংলাদেশের সমস্ত মানুষ অন্দ্ব হয়েগেেছে? শুদ আপনারা ছাড়া।

Omar faruk

১৬ মে ২০১৮, বুধবার, ৯:১৫

কি কইতাম !

kazi

১৭ মে ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ১:৫৪

It is impossible in Bangladesh to have a free and fair election without rigging votes. It has become a normal practice by party in power.