× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা
ঢাকা, ১৭ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার

জি-৭ সম্মেলনে ট্রাম্পের নাটকীয়তা

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১০ জুন ২০১৮, রবিবার, ২:০৪

কানাডায় অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের যৌথ বিবৃতি অনুমোদনে নাটকীয়তার জন্ম দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। শেষ মুহূর্তে তিনি ওই বিবৃতি অনুমোদন দেয়া থেকে বিরত রইলেন। পাশাপাশি তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে একজন অসৎ মানুষ হিসেবে অভিযুক্ত করলেন। বাণিজ্য নিয়ে বিরোধের জের ধরে শনিবার এমন অবস্থানে চলে যান ট্রাম্প। এরপর তিনি সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠেয় উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠকে যোগ দেয়ার জন্য এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠে বসেন। তা যাত্রা শুরু করে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে। ওই বিমানের ভিতর থেকেই তিনি টুইট করেছেন। তাতে বলেছেন, সংবাদ সম্মেলনে জাস্টিন ট্রুডো মিথ্যা বিবৃতি দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কৃষক, শ্রমিক ও কোম্পানির ওপর কানাডা উচ্চ হারে শুল্ক আরোপ করছে। এসব মিথ্যা বিবৃতির কারণে আমি আমার প্রতিনিধিদের ওই যৌথ বিবৃতি অনুমোদন না দিতে নির্দেশ দিয়েছি। ট্রাম্প আবারো হুশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, তার প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সয়লাব হয়ে যাওয়া অটোমোবাইলসের ওপর শুল্ক আরোপ করছে। এর উদ্দেশ্য হলো জি-৭ ভুক্তি আরেকটি সদস্য দেশ জার্মানি। এর পরেই তিনি ট্রুডো সম্পর্কে ক্ষুব্ধ বাক্য ব্যবহার করেন। বলেন, কানাডিয়ার প্রধানমন্ত্রী এতটা ন¤্র ও ভদ্রতা প্রদর্শন করেছেন তাদের যৌণভ আলোচনার সময় যে, তা তিনি অনুমোদন দিতে পারেন না। তিনি অত্যন্ত অসৎ ও দুর্বল। ট্রাম্প এখানেই ছেড়ে দেন নি ট্রুডোকে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডেইরি পণ্যগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ করেছে কানাডা। তারই জবাব দিতে একই রকম পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কানাডার স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর। এসব পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে কানাডা। কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য ও নাফটা নিয়ে উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প আগেভাগেই শনিবার জি-৭ সম্মেলন ত্যাগ করেন। যাত্রা শুরু করেন সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে। তার সঙ্গে রয়েছেন হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ জন কেলি, ট্রাম্পের অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা জন বল্টন। তবে কানাডা ত্যাগের আগে ট্রাম্প সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সেখানে তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে মঙ্গলবারের বৈঠক নিয়ে কথা বলেছেন। বলেছেন, তিনি জানেন যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা প্রক্রিয়ায় উত্তর কোরিয়ার নেতা কতটুকু গুরুত্ব দিয়ে নিচ্ছেন তা প্রথম এক মিনিটেই তিনি জেনে যাবেন। এ সময় সাংবাদিকরা তার কাছে জানতে চান- কিভাবে তিনি এত দ্রুততার সঙ্গে তা জানতে পারবেন? জবাবে তিনি বলেন, আমার স্পর্শ, আমার অনুভূতি দিয়ে আমি তা বুঝি। উত্তর কোরিয়ার নেতা আন্তরিক কিনা তা তিনি তাড়াতাড়িই বুঝে যাবেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর