ঢাকা, ২৪ জুন ২০১৮, রোববার

দৌলতপুরে গণধর্ষণের শিকার নারী: শিশু নিপীড়নকারী আটক

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি | ১২ জুন ২০১৮, মঙ্গলবার, ৯:৫০

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মমতাজ খাতুন ওরফে মরিছন (৩২) নামে বিধবা এক নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এছাড়া রিতু খাতুন (৯) নামে এক শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার হলে যৌন নিপীড়ককে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের সিরাজনগর গ্রামে গণধর্ষণের এবং চককৃষ্ণপুর গ্রামে পৃথক এসব ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ ও ধর্ষিতা সূত্র জানায়, সিরাজনগর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের স্ত্রী মমতাজ খাতুন ওরফে মরিছন একই গ্রামের মায়ের বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী নিজ বাড়িতে রাতে একা ফিরছিলেন। এ সময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা একই গ্রামের ওহাব আলীর সাহাব উদ্দিন (৩৫) এবং তার সহযোগী হাতেম আলীর ছেলে মহাবুল (৫০) ও শামসুল ইসলামের ছেলে কালাম (৩৫) তাকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে পার্শ্ববর্তী বাঁশঝাড়ের ভেতর নিয়ে গণধর্ষণ করে। পরে ধর্ষিতা নারী বাড়ি ফিরে ধর্ষণের বিষয়টি পরিবারের লোকজনকে জানালে তারা গতকাল সোমবার সকালে দৌলতপুর থানায় অভিযোগ করেন। ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে দৌলতপুর থানার ডিউটি অফিসার সাহেব আলী জানান, বিষয়টি শুনেছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় দৌলতপুর থানায় অভিযোগ হলে ধর্ষকরা গ্রেপ্তার এড়াতে গা-ঢাকা দিয়েছে বলে ধর্ষিতার পরিবার সূত্রে জানা গেছে। অপরদিকে উপজেলার পার্শ্ববর্তী চককৃষ্ণপুর মণ্ডলপাড়া গ্রামে আসাদুল্লাহ মণ্ডলের ছেলে জামিরুল ইসলাম (৪০) রোববার রাত ৮টার দিকে প্রতিবেশী রিপন আলীর বাড়িতে প্রবেশ করে তার মেয়ে তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী রিতু খাতুনকে (৯) বাড়িতে একা পেয়ে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন চালায়।

পরে মেয়েটির চিৎকারে বাথরুমে থাকা তার পিতা রিপন মণ্ডল বাথরুম থেকে বের হয়ে এলে ধর্ষণ চেষ্টাকারী জামিরুল ইসলাম দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় রিপন আলী রোববার রাতে দৌলতপুর থানায় অভিযোগ দিলে দৌলতপুর থানা পুলিশ ধর্ষণ চেষ্টাকারী বা যৌন নিপীড়নকারী জামিরুল ইসলামকে ওই রাতেই আটক করে। এ ঘটনায় দৌলতপুর থানায় মামলা নং ২৩ দায়ের করা হয়েছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।