× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার

নোয়াখালীতে অপহৃত কলেজ শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী থেকে | ১৩ জুন ২০১৮, বুধবার, ৯:৪৮

অপহরণের ৬ দিন পর কলেজ শিক্ষার্থীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত ১০ই জুন দৈনিক মানবজমিনে ‘অপহরণের ২২ ঘণ্টা পরও উদ্ধার হয়নি কলেজছাত্র’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টনক নড়ে। সরেজমিনে তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম। তিনি ওসিকে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে নির্দেশ দিলেও থানা পুলিশ গড়িমসি করলে ভয়ঙ্কর ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। সুবর্ণচরে অপহরণের ৬ দিনপর কলেজ শিক্ষার্থী কামরুল ইসলাম সাগর নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে চরজব্বর থানা পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের কথিত প্রেমিকাসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের মধ্যচরবাটা গ্রামের হাজী মোজ্জাম্মেল হক (মুজাম হাজী) এর বাড়ির উত্তর পাশের নালা থেকে গলাকাটা অর্ধগলিত লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, গতকাল সকাল ৯টার দিকে ফয়েজ উল্যাহ মেম্বার বাড়ির আহছান উল্যাহ গরু বাঁধতে গেলে লাশটি দেখে চরজব্বর থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। এদিকে অপহরণের ঘটনায় কামরুল এর বড় ভাই নজরুল শিমুল ইসলাম বাদী হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার সময় ৫ জনকে আসামি করে চরজব্বর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে। অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ মিঠুন চন্দ্র দাশ (২৪), মমতাজ (২০) হাসিনা আক্তার (৪০) ও রফিক উল্যাহ,র ছেলে মো. মাসুদকে (২৪) আটক করেছে। আটকদের মধ্যে ২ নারীকে গত সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে। থানায় দায়ের করা মামলার সূত্রে জানা যায়, সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের মধ্য চরবাটা গ্রামের নূর ইসলাম ফরেস্টার এর ছেলে কামরুল ইসলাম সাগর (১৮) এর সঙ্গে একই এলাকার রহমত উল্যাহর মেয়ে স্থানীয় খাসের হাট সৈকত ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী মমতাজ বেগমের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে ছাত্রীটির পিতা কামরুল ও তার পরিবারের ওপর ক্ষিপ্ত ও প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠে এবং বিভিন্ন সময় কামরুলকে মারধর করে। গত শুক্রবার রাত ১০টার সময় রহমত উল্যাহর ভাড়াটিয়া মাস্তান স্থানীয় মৃত মনোরঞ্জন দাসের ছেলে মিঠুন চন্দ্র দাসের সঙ্গে সাগরের তুচ্ছ ঘটনাকে নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। শুক্রবার রাতে সাগর তার নিজ শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়েছিল। পাশের ঘরে থাকা তার বড় ভাই নজরুল ইসলাম শিমুল বলেন রাত আনুমানিক ১২টার পর সাগরের মুঠোফোনে কে বা কারা কল করে তাকে বাড়ির আঙ্গিনায় ডেকে নেয়। এরপর রাতে সে আর বাড়ি ফেরেনি। সাগর চলতি বছর স্থানীয় চরবাটা খাসেরহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করে সুবর্ণচর সৈকত ডিগ্রি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেনিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল। পরিবারের লোকজন তাকে রাতে ও সকালে সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোজ করেও তার সন্ধান পায়নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর