× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা
ঢাকা, ১৫ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার

কমলাপুর, সদরঘাটে উপচেপড়া ভিড়

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ জুন ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ৩:০২

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমলাপুর রেল স্টেশন, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও গাবতলী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড় । সকাল থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি ট্রেনেই ছিল ভিড়। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন রুটের প্রতিটি ট্রেন ছিল যাত্রীতে ঠাসা। আসন ছাড়াও ট্রেনের ভেতরে দাঁড়িয়ে, পাদানিতে ঝুলে, ইঞ্জিনের সামনে পেছনে আর ছাদে চড়ে বাড়ির পথ ধরেছেন ঘরমুখো মানুষ। ঈদের দুদিন আগে বৃহস্পতিবার পাঁচটি বিশেষ ট্রেনসহ মোট ৬৯টি ট্রেন ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চলগামী কয়েকটি ট্রেনের যাত্রায় দেরি বিষাদ ছড়িয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। গরমের মধ্যে শিশুদের ভোগান্তি ছিল বেশি। চিলাহাটির নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি কমলাপুর ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল সকাল ৮টায়।
যাত্রীদের অনেকে ভোর থেকেই স্টেশনে এসে ট্রেনের অপেক্ষায় ছিলেন। যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে ট্রেন দেরিতে ছাড়ার বিড়ম্বনা আর বেশি ভাড়া নেয়ার ভোগান্তি। জানা যায়, ঘরমুখী যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। মানুষের উপচে পড়া ভিড় কমলাপুরে।  আজ ৫৫ মিনিট দেরিতে কমলাপুর থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে সকাল ৬ টা ৫৫ মিনিটে ছেড়ে গেছে ধূমকেতু এক্সপ্রেস। অন্যদিকে সুন্দরবন এক্সপ্রেস একঘণ্টা দেরিতে খুলনার উদ্দেশ্য ছেড়ে গেছে।
সকাল ১০টা পর্যন্ত কমলাপুর থেকে ১৬টি ট্রেন বিভিন্ন রুটে ছেড়ে গেছে। এরমধ্যে দু’টি বিলম্বে ছেড়ছে। এছাড়া রংপুর আন্তঃনগর এক্সপ্রেস সকাল ৯টায় ছাড়ার কথা থাকলেও এখনো ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে আসেনি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী  জানান, যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপে সুন্দরবন ও ধূমকেতু বিলম্বে ছেড়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় প্রতিটি স্টেশনেই ২ থেকে ৫ মিনিট বাড়তি সময় লাগছে। যে কারণে ট্রেন কিছুটা বিলম্বে ছাড়ছে। এমনকি ভ্রাম্যমাণ টিকিট মাস্টার থেকে বেশি টাকা দিয়ে টিকিট কাটতে হচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করছেন।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালে যথা সময়ে ছেড়ে যায় সব ধরনের বাস। তেমন ভোগান্তি পোহাতে হয়নি যাত্রীদের। টার্মিনাল কর্তৃপক্ষ বলছে, নিরবচ্ছিন্ন ট্রাফিক সেবা, সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থাপনা ও যেকোনো অহেতুক ঝামেলা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রয়েছে সতর্ক অবস্থান। যার পরিপ্রেক্ষিতে শান্তিপূর্ণভাবে ঘরে ফিরছে যাত্রীরা।
জানা যায়, মহাখালী থেকে উত্তরবঙ্গ ও সিলেট রুটের অগ্রিম টিকিটের যাত্রীরা সময় মতো আসছেন। প্রতিটি গাড়িও সময় মতো ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়া টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর রুটের যাত্রীরা এসে টিকিট কাটছেন। বাসের সব সিটে যাত্রীপূর্ণ হলেই ছেড়ে যাচ্ছে।
এছাড়া আজ বৃহস্পতিবার সকালে সদরঘাটে তেমন ভিড় দেখা না গেলেও বিকালে অফিস ছুটির পর চাপ বাড়তে থাকে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর