× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার

বিয়ার ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

রাশিয়া থেকে

স্পোর্টস রিপোর্টার মস্কো (রাশিয়া) থেকে | ২৩ জুন ২০১৮, শনিবার, ৯:৫৬

বিশ্বকাপ উপলক্ষে গোটা পৃথিবীর পর্যটকরা এখন ভিড় জমিয়েছেন রাশিয়ায়। এত ভিড় যে হোটেলে ঠাঁই নেই। মস্কো বা অন্য শহরগুলোতে পানশালা, বিয়ার গার্ডেন বা ক্রাফট বিয়ার পাবো-এ এখন উপচে পড়া ভিড়। কিন্তু সে অনুপাতে বিয়ারের বিক্রি নেই। অনেক বছর ধরেই রাশিয়ায় বিয়ার ইন্ডাস্ট্রি মার খাচ্ছে। বিয়ারকে সফট ড্রিঙ্কসের বদলে অ্যালকোহলের আওতায় নিয়ে আসার পর থেকেই ছবিটা এরকম। পানীয় বিক্রির হিসাবে গোটা বিশ্বে রাশিয়া আছে ১৪তম স্থানে। হিসাবটা সারা বছর ধরে এখানকার লোকজন কত পরিমাণে পানীয় পান করেন সেটা ধরেই।
মনে করা হয়েছিল যে, বিশ্বকাপের সময় হুহু করে পানীয় বিক্রি বাড়বে। ব্যবসায়ীরাও সেরকমই প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু সামগ্রিকভাবে যা দেখা যাচ্ছে তাতে যা মনে করা হয়েছিল সেই সীমা কিন্তু ছুঁতে পারছে না। বিয়ারের ব্যবহার কমলেও তুলনামূলকভাবে ভদকার ব্যবহার ভালো। রাশিয়ার জনজীবনে এই ভদকার প্রভাব সাংঘাতিক। কেন বিয়ারের ব্যবহার রাশিয়াতে কমে গেল, তা নিয়ে প্রচুর চর্চা হয়েছে। যার আরেক কারণ এর বিক্রিতে কিছুটা নিষেধাজ্ঞা এসেছে। নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বিজ্ঞাপনের উপরেও। এছাড়া করের ব্যাপারটাও রয়েছে। তবে, আসল ধাক্কাটা এসেছে ২০১১তে। যখন এই বিয়ারকে সফট ড্রিঙ্কসের বদলে অ্যালকোহলের ক্যাটাগরিতে ফেলে দেয়া হয়। তারপর থেকে রাতের দিকে এই বিয়ার বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। শুধু রাস্তার কিয়স্ক-এ কিছুটা বিক্রি হয়। ভাবা হচ্ছিল বিশ্বকাপের হাত ধরে ছবিটা বদলে যাবে।
কিন্তু তেমন চিত্র এখনো পর্যন্ত দেখা যায়নি। তাছাড়া একমাসের বিয়ার বিক্রি সামগ্রিকভাবে গোটা পরিস্থিতি কতটা বদলে দিতে পারে, সেই প্রশ্নও রয়েছে। এদিকে, বিশ্বকাপের সময় স্টেডিয়ামের দুই কিলোমিটারের মধ্যে পানীয় জাতীয় কিছুর ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যাতে পানীয়ের প্রভাবে দর্শকরা মাঠে ঢুকে গণ্ডগোল না পাকাতে পারে। তাছাড়া বিশ্বকাপ উপলক্ষে অ্যালকোহল ফ্রি বিয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে, ক্রাফট বিয়ারের বিক্রি বেশ উৎসাহজনক। বিশ্বকাপের জন্য ক্রাফট বিয়ার বারে বেশ ভিড় হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে এসব কারণেই বিয়ার বিক্রিতে ভাটা দেখা দিয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর