× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার

চোখে পানি, তবুও স্টেডিয়াম পরিষ্কার করতে ভুললেন না জাপানিরা

ফিফা বিশ্বকাপ-২০১৮

স্পোর্টস ডেস্ক | ৪ জুলাই ২০১৮, বুধবার, ১০:১১
ম্যাচ শেষে জাপানের ড্রেসিংরুমের পাশে গ্যালারিতে জাপান সমর্থক

শেষ মিনিটের গোলে হৃদয় ভাঙে জাপানিদের। কিন্তু তার পরও জাপানিরা দেখায় অনন্য কীর্তি। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের পর নিজেদের ড্রেসিংরুম পরিষ্কার করে স্টেডিয়াম ছাড়েন জাপান দলের খেলোয়াড়রা। আর স্টেডিয়াম ছাড়ার আগে গ্যালারি পরিষ্কার করেন জাপানি সমর্থকরা। এর আগে গ্রুপ পর্বে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শেষেও গ্যালারি পরিষ্কার করতে দেখা গিয়েছিল জাপানি দর্শকদের। সোমবার খেলোয়াড় ও দর্শকদের ড্রেসিংরুম ও গ্যালারি পরিষ্কারের ছবি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয়। এ ছবি টুইটারে পোস্ট করে রাশিয়ান এক সমর্থক লেখেন, জাপানের এমন কাজে শুধু রাশিয়া নয়, পুরো বিশ্ব মুগ্ধ। তোমাদের এমন কাজ প্রত্যেকটা দলের জন্য উদাহরণ এবং প্রেরণা হিসেবে থাকবে।
তোমরা এ কাজের মধ্যদিয়ে অনেক কিছু জয় করেছে। রাশিয়ায় আবারো তোমাদের স্বাগত জানাই। এক জাপানি সমর্থক তার টুইটারে এ ছবি পোস্ট করে লেখেন, এমন কষ্টের বিদায়ের পরেও জাপানিরা তাদের ঐতিহ্য ভুলেনি। যেটা ম্যাচশেষে খেলায়াড়রা ড্রেসিং রুমে এবং দর্শকরা মাঠে দেখিয়েছেন।
যে কারণে রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলতে চায়নি জাপান
বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের যোগ করা সময়ে গোল হজম করে বিদায় নেয় জাপান। সোমবার বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকার পরেও জাপান আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। কিন্তু দুই গোলের পর কিছুটা রক্ষণাত্মকভাবে খেললে জাপানের জয় পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল বলে মনে করেন অনেকে। আর এ বিষয়ে একমত জাপানের কোচও। জাপান কোচ আকিরো নিশিনো বলেন, যখন তারা প্রথম গোল করেছিল, তখনও আমরা এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু আমরা রক্ষণভাগে কোনো পরিবর্তন বা কৌশল অবলম্বন করিনি। এজন্য আমি কোনো খেলোয়াড়কে কোনো দোষ দিচ্ছি না। এ দোষ সম্পূর্ণ আমার। আমি চেয়েছিলাম আগের গতানুগতিক পদ্ধতি বাদ দিয়ে নতুন ধারায় খেলবে জাপানিরা। আর এতে আমরা সফলও হয়েছি। তবে সবকিছুর পরেও আমি মনে করি, বেলজিয়ামের চেয়ে অভিজ্ঞতা এবং শক্তিতে কিছুটা পিছিয়েছিলাম আমরা।
ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, দলের এমন হার আমি মানতে পারছি না। এটা এখনো আমার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। যেখানে আমরা ২-০ গোলে এগিয়ে ছিলাম তার পরও এমন হার সত্যিই কষ্টের এবং হতাশার। মাঠে খেলোয়াড়রা তাদের সেরাটা দিয়ে খেলেছে। আমরা মাঠে ভালো ফুটবল খেলাও দেখাতে সমর্থ হয়েছি। কিন্তু ফল নিজেদের অনুকূলে আনতে পারিনি। আমি দলের খেলোয়াড়দের বলেছিলাম, যাও নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দাও। তারাও আমার সেই কথা রেখেছে। তবে ভাগ্য হয়তো আমাদের সঙ্গে ছিল না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর