× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার

সমর্থকরা রাশিয়ার ‘প্লাস পয়েন্ট’

ফিফা বিশ্বকাপ-২০১৮

স্পোর্টস ডেস্ক | ৬ জুলাই ২০১৮, শুক্রবার, ৯:৫৬

নকআউট পর্বে ফেভারিট স্পেনকে বিদায় করে অঘটনের জন্ম দেয় স্বাগতিক রাশিয়া। এবার রাশিয়া চ্যালেঞ্জের সামনে ক্রোয়েশিয়া। আগামীকাল সোচির ফিস্ট অলিম্পিক স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই দল। খেলার বাইরে ক্রোয়েশিয়ার জন্য উদ্বেগের কারণ গ্যালারি ভর্তি স্বাগতিক দর্শক। সমর্থকরা রাশিয়ার জন্য বড় ‘প্লাস পয়েন্ট’ বলেই মনে করেন ক্রোয়েশিয়ান ফরোয়ার্ড আন্তে রেবিচ। তিনি বলেন, ‘গ্রুপ পর্ব ও স্পেনের বিপক্ষে ভালো ফুটবল প্রদর্শন করে রাশিয়া। তারা খুব শক্তিশালী দল। আরো বড় সুবিধা হচ্ছে তারা ঘরের মাঠে খেলছে। গ্যালারিতে সমর্থকদের সরব উপস্থিতি রাশিয়ার জন্য অনেক বড় প্লাস পয়েন্ট। আমরা নিজেদের শক্তির দিকটিতে দৃষ্টি রাখছি।’ গ্রুপ পর্বে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা রাশিয়া দ্বিতীয় রাউন্ডে স্পেনের বিপক্ষে রক্ষণাত্মক কৌশল বেছে নেয়। ১-১ সমতায় থেকে স্পেনকে টাইব্রেকারে হারিয়ে বাঁধভাঙা উল্লাসে মাতে স্বাগতিক শিবির। রাশিয়ার দুই কৌশলের জন্যই ক্রোয়েশিয়া প্রস্তুত। ক্রোয়েশিয়ান উইঙ্গার ইভান পেরিসিক বলেন, ‘আমরা রাশিয়ার প্রায় সবগুলো ম্যাচ দেখেছি। স্পেনের বিপক্ষে তারা ভিন্ন কৌশল নিয়ে নামে। প্রতিটি দলের বিপক্ষেই আপনাকে মানিয়ে নিতে হবে। আমি মনে করি স্পেনের বিপক্ষে রাশিয়ার রক্ষণাত্মক কৌশল সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। আমরা তাদের খেলার দুইটি ভার্সনের জন্যই প্রস্তুত। সেই লক্ষ্যেই আমরা তৈরি নিচ্ছি। নিজেদের খেলার প্রতি ফোকাস রাখতে হবে। আমাদের দলটা বড় মানের। মাঠে তা প্রদর্শন করতে হবে। সেই সামর্থ্য আমাদের রয়েছে।’ ক্রোয়েশিয়ার মাঝমাঠের কাণ্ডারি অধিনায়ক লুকা মদ্রিচ। কোয়ার্টার ফাইনাল জিততে হলে মদ্রিচকে আটকানোর বিকল্প নেই বলে মনে করেন অভিজ্ঞ রাশিয়ান কোচ আলেক্সান্ডার টারকানভ। তিনি বলেন, ‘আমাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে মদ্রিচকে আটকানো। কারণ সে ক্রোয়েশিয়ার শীর্ষ খেলোয়াড়। তাকে অনবরত চাপের মধ্যে রাখতে হবে।’ টাইব্রেকারে জিতেই রাশিয়া বিশ্বকাপের শেষ আটের টিকিট কাটে ক্রোয়েশিয়া। ডেনমার্কের বিপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলা শুরুর ৪ মিনিটেই ১-১ সমতা বিরাজ করে। এই ফলাফলেই ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। ডেনিশদের তিনটি শট ঠেকান ড্যানিয়েল সুবাসিচ। ক্রোয়েশিয়ার দুইটি শট ফেরান ক্যাসপার স্মাইকেল। আর স্পেনের বিপক্ষে দুইটি পেনাল্টি শট প্রতিহত করে নায়কের আসনে বসেন রাশিয়ান গোলরক্ষক ইগোর আকিনফেভ।
উদ্বোধনী ম্যাচে সৌদি আরবকে ৫-০ গোলে গুঁড়িয়ে দুর্দান্ত শুরু পায় রাশিয়া। দ্বিতীয় ম্যাচে মোহাম্মদ সালাহর মিশরকে ৩-১ গোলে হারায় স্বাগতিক শিবির। কিন্তু গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণী ম্যাচে উরুগুয়ের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার দেখে রাশিয়া। ‘ডি’ গ্রুপে নাইজেরিয়াকে ২-০ গোলে হারানোর পর আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৩-০ গোলের উড়ন্ত জয় পায় ক্রোয়েশিয়া। শেষ ম্যাচে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে জয় আসে ২-১ ব্যবধানে। এবারের আসরে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই জয় পাওয়া তিন দলের একটি ক্রোয়েশিয়া। উরুগুয়ের পর তৃতীয় দল হিসেবে শতভাগ জয়ে নকআউট পর্বে পা রাখে বেলজিয়াম।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর