ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০১৮, বৃহস্পতিবার

ব্রেক্সিট ইস্যুতে তেরেসা মে’র সমালোচনায় বরিস জনসন

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ জুলাই ২০১৮, সোমবার, ৯:১৯

ব্রেক্সিট ইস্যুতে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র তীব্র সমালোচনা করেছেন তারই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। তার মতে, ব্রেক্সিট পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বৃটেন হবে একটি দাস রাষ্ট্র। মুক্ত বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কঠিন বাধা হয়ে দাঁড়াবে ব্রেক্সিট পরিকল্পনা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে বলা হয়, বৃটেনের মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর ওপর ব্রেক্সিট ইস্যুতে পূর্ণ সমর্থন দিলেও বরিস জনসনের এমন বক্তব্যে অনেকেই পেছন ফিরে দেখছেন। শুরু হয়েছে নতুন হিসাব নিকাশ। তবে কি ব্রেক্সিট পরিকল্পনার এখনো ঘোরবিরোধী বরিস জনসন! এমন প্রশ্ন নিয়ে বিস্তর আলোচনা হচ্ছে। বরিস জনসন কঠিন ভাষায় বলেন, ব্রেক্সিট পরিকল্পনা যুক্তরাজ্যকে দাস রাষ্ট্রে পরিণত করবে। প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে দাবি করেন, তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ব্রেক্সিট সফল হবে। মন্ত্রিসভা কর্তৃক স্বাক্ষরিত এ পরিকল্পনা অনুযায়ী যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হবে। তার জন্য এ অঞ্চলটিকে একটি ‘সাধারণ শাসন নীতি’র আওতায় নিয়ে আসা হবে। পাশাপাশি ইইউ ব্লকের সঙ্গে যৌথ শুল্কাঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েও মতৈক্যে পৌঁছেছেন মন্ত্রীরা। কিন্তু বরিস জনসন বলেন, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা মুক্ত বাণিজ্যের পথে কঠিন বাধা হয়ে দাঁড়াবে। এই পরিকল্পনাটিকে সমর্থন দেয়া মানে হাত দিয়ে মানুষের ত্যাগ করা বর্জ্য নাড়ার মতো। তবে তেরেসা মে’র একজন শুভাকাঙ্ক্ষী দাবি করেছেন, বৈঠকে বরিস জনসন ঠাট্টা করেই এ বক্তব্যটি দিয়েছিলেন। ওদিকে, প্রায় ১০০ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী নেতা বলেছেন, এ পরিকল্পনা অকার্যকর, ব্যয়বহুল ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সৃষ্টি করবে। বিরোধী লেবার দলের নেতা জেরেমি করবিন বলেন, সরকারকে অবশ্যই আইনসভায় একটি পরিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে এ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। গৃহীত এ পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠকের জন্য প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে নিজেই সকল মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। প্রায় ১২ ঘণ্টা বৈঠকের পর পরিকল্পনা নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছে মন্ত্রিসভা। বৈঠকে তেরেসা মে ব্রেক্সিট সত্ত্বেও ইইউ’র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখার ব্যাপারে জোর দিয়েছেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।