× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার

ভারতে মুসলিম হন্তারক দলকে মন্ত্রীর মাল্যদান!

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১০ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার, ৯:৫০

ভারতের ঝাড়খন্ডে গোমাংস বিক্রেতা সন্দেহে এক মুসলিমকে পিটিয়ে মারার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ৮ ব্যক্তি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তাদেরকে ফুলের মালা পরিয়ে স্বাগত জানিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী জয়ন্ত সিনহা। এই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ার পর তোপের মুখে পড়েছেন তিনি। এ খবর দিয়েছে ভারতের এশিয়ান এইজ পত্রিকা। খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৯শে জুন ঝাড়খন্ডের রামগড় শহরের বাজার তান্দ এলাকায় আলিমুদ্দিন আনসারি নামে এক মুসলিম নিজের গাড়িতে মাংস বহন করছেন এমন সন্দেহে তাকে পিটিয়ে মারে একদল লোক। এই ঘটনায় এই বছরের মার্চে ১১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে দেশটির একটি আদালত। তবে ঝাড়খন্ড হাইকোর্ট ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বাতিল করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, নিজের বাসায় জামিনে মুক্ত দ-প্রাপ্ত আসামীদেরকে গলায় মাল্য পরিয়ে বরণ করছেন বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী জয়ন্ত সিনহা। বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় উদ্ভূত সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যখন এই লোকগুলো জামিনে মুক্ত হলো, তারা আমার বাড়িতে এলো।
আমি তাদের প্রতি শুভকামনা ব্যক্ত করলাম। আইনকেই নিজের পথে চলতে দিন। যারা দোষী তারা শাস্তি পাবে। আর যারা নির্দোষ তারা মুক্তি পাবে।’ পরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে দেওয়া একাধিক টুইটে তিনি বলেন, আলিমুদ্দিন আনসারির সঙ্গে যা করা হয়েছে, সেই ধরণের কর্মকান্ডের নিন্দা জানান তিনি। তবে তিনি জানান, দ্রুত বিচার আদালতের যেই বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযুক্তরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তা নিয়ে তার সংশয় আছে। ঝাড়খন্ড রাজ্য বিরোধী দলীয় নেতা হেমন্ত সোরেন বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রীর ওই কান্ডের নিন্দা জানান। তিনি এক টুইটে বলেন, ‘এটি নিন্দনীয়।’ নিজের টুইটে জয়ন্ত সিনহার বিশ্ববিদ্যালয় হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিকেও ট্যাগ করেন হেমন্ত সোরেন। ঝাড়খন্ড রাজ্য কংগ্রেসের প্রধান অজয় কুমার নিউজ ১৮ চ্যানেলের সঙ্গে আলাপচারিতায় শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ আনেন। তিনি বলেন, ‘এ ধরণের গোষ্ঠীর প্রতি যেকোনো ধরণের সমর্থন নিন্দার যোগ্য। এটিই বিজেপির আসল চেহারা। তারা শুধু নির্বাচনে জিততে চায়। এজন্য তাদের নেতারা যেকোনো সীমা লঙ্ঘণ করতে প্রস্তুত।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
kazi
৯ জুলাই ২০১৮, সোমবার, ৯:০৬

মন্ত্রীতো মুসলমান নয়। এর থেকে তাদের মানসিকতা বুঝে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত ।

অন্যান্য খবর