× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা রম্য অদম্য
ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০১৮, শনিবার

‘রাষ্ট্র এখন রঙ্গিন চশমা দিয়ে মানুষকে দেখছে’

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ৮ আগস্ট ২০১৮, বুধবার, ৯:৫৯

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সংগ্রাম ছিল না বা সেটা বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন ছিল না। সেটা ছিল এদেশের সাধারণ মানুষের অধিকার সমুন্নত রাখার লড়াই। তাই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা যদি সমুন্নত রাখা হতো তবে কোন মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হতো না।

রাষ্ট্রীয় উপেক্ষার কারণে দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীসহ নানা প্রান্তিক গোষ্ঠীর মানুষ আজ পীড়নের শিকার হচ্ছে। আর ‘রাষ্ট্র এখন রঙ্গিন চশমা দিয়ে মানুষকে দেখছে। তাদের কাছে যারা শক্তিশালী, তাদেরই তারা পৃষ্ঠপোষকতা করেন। আর তা না হলে সব মানুষকে ছেড়ে হেফাজতের কাছে যেতে হয় কেন আওয়ামী লীগকে? সুলতানা কামাল বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশ থেকে মানুষকে চলে যেতে হয় কেন? দখলতন্ত্রের কারণেই আজ দেশের ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ দেশান্তরি হচ্ছে। এসব আজ জাতিগোষ্ঠীর মানুষ একটি বিলীয়মাণ জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এএলআরডি আয়োজিত ‘আদিবাসী সহ প্রান্তিক মানুষের ভূমি থেকে উচ্ছেদ এবং তাদের মানবাধিকার’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, আমাদের রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে পাকিস্তানি ভাবধারা এখনো রয়ে গেছে। সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষের দেশান্তরে এই রাষ্ট্র ও রাজনীতিই বাধ্য করছে। সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, সংখ্যালঘু এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের ভূমি দখল রোধ, নিরাপত্তার জন্য এবং তাদের দেশান্তর বন্ধ করতে বিশেষ আইন দরকার। আর এ জন্য দরকার জোর রাজনৈতিক সদিচ্ছার। সেমিনারে প্যানেল আলোচকদের বক্তব্যে এএলআরডি চেয়ারপার্সন খুশী কবির বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের পর ইতিমধ্যে ২০ বছর সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেছে । এমনকি ভূমি কমিশন গঠনের ১৭ বছর পরও পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি নিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন প্রকৃত অর্থে কার্যকর হয়নি। চুক্তির পরও পাহাড়ে হাজার হাজার একর জমি দখল হয়ে গেছে। সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন এএলআরডি উপ নির্বাহী পরিচালক রওশন জাহান মনি, চাকমা রাণী ইয়েন, অধ্যাপক মেজবাহ কামাল, অধ্যাপক আমেনা মহসিন, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Tevaskii
৮ আগস্ট ২০১৮, বুধবার, ১১:২৫

আর আপনি কোন চশমা পরে আছেন ইসলাম বিরুধি নাস্তিক জননী ??? তো আপনি যে চশমা পরে আছেন তা দিয়ে কেবল শুধু সংখ্যালঘু আর নাস্তিকদের কে মানুষরুপে দেখেন, অন্যদেরকে মানুষরুপে দেখেন না আপনার ওই চশমা দিয়ে। আপনি চুপ থাকুন, এটাই ভালো আপনার জন্যে।

Yusuf
৮ আগস্ট ২০১৮, বুধবার, ৯:৪২

Bangladesh become Indian state province

অন্যান্য খবর