× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার

সরকারকে সচেতন থাকার পরামর্শ ১৪ দলের

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার | ১০ আগস্ট ২০১৮, শুক্রবার, ৯:০৮

একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে আরো একাধিক আন্দোলনের আশঙ্কা করছে ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোটের শরিকরা। এজন্য তারা সরকারকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি এ ধরনের পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল  তোপখানা রোডে ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।   বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন ছেড়ে ক্লাসরুমে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো হয়। তবে বৈঠকে শরিকরা মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত সড়ক পরিবহন আইন চূড়ান্ত করার আগে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেয়। এসময় শিক্ষার্থীদের প্রতিশ্রুতি দেয়া ৯ দফা দাবি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, জাসদ সভাপতি শরিফ নুরুল আম্বিয়া ও কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান নির্বাচনের আগে আরো আন্দোলনের আশঙ্কা করেন। গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তারা বলেন, গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতনের দাবি নিয়ে সরকারকে নির্লিপ্ত মনে হচ্ছে।
সরকারের প্রতিশ্রুতিতে এমপিওভুক্তি ও কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা ঘরে ফিরে গেলেও তারা আউটপুট না পেলে আবারো রাজপথে নামতে পারে। আর সুযোগ সন্ধানীরা এসব ইস্যু কাজে লাগাতে পারে। নির্বাচনের আগে সরকারকে এসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কেবল প্রশাসনিকভাবে না করে এসব বিষয় রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। বৈঠকের পরে ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সড়কে আর  নৈরাজ্য সহ্য করা হবে না ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। বিআরটিএ’র অবহেলা আর দেখতে চায় না জাতি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নাসিম বলেন, লাইসেন্স আর ফিটনেস ছাড়া কোনো গাড়ি যেন সড়কে চলতে না পারে, ট্রাফিক পুলিশকে সেই নির্দেশ দিতে হবে। মন্ত্রী-এমপি যে-ই হোক, গাড়ির কাগজ না থাকলে কাউকে ছাড় দেয়া যাবে না। তিনি বলেন, বাস মালিক-শ্রমিকদের প্রয়োজনে জেলে ঢোকাতে হবে। আনিসুর রহমান মল্লিকের সভাপতিত্বে বৈঠকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া অংশ নেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর