× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা রম্য অদম্য
ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০১৮, শনিবার

চিলমারীতে ডাক্তারের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু প্রতিবাদে বিক্ষোভ

বাংলারজমিন

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি | ১০ আগস্ট ২০১৮, শুক্রবার, ৯:৩৮

চিলমারীতে ডাক্তারের অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ এনে ডাক্তারের বিচারসহ অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে রোগীর স্বজনসহ এলাকাবাসী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মোছা. মোস্তারি বেগমের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর হয়েছে বলে মৃতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান।
‘হাসপাতালে ডাক্তার চাই, চাই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, যে হাসপাতালে ডাক্তার নাই সে হাসপাতালের দরকার নাই, ডাক্তার মোস্তারি বেগমের বিচার ও অপসারণ চাইসহ বিভিন্ন দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার পর পরই হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। এর আগে তারা বিক্ষোভ মিছিল করে।
উল্লেখ্য, বুধবার রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হন থানাহাট আদর্শ বণিক কল্যাণ সংস্থার ধর্ম ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বড় কুষ্টারী এলাকার রওশন আলী। তাকে চিলমারী হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. মোস্তারি বেগমকে জরুরি বিভাগে আসতে বলেন। রোগীর স্বজনরাও তাকে মোবাইল ফোনে ও বাড়িতে গিয়ে বারবার হাসপাতালে আসতে বলেও তিনি দীর্ঘ্য সময় পর ক্যাম্পাসারের বাসা থেকে হাসপাতালে এসে রোগীকে মৃত ঘোষণা করেন বলে স্বজনরা জানায়। ডা. মোস্তারি বেগম তাৎক্ষণিক বাসা থেকে বের হয়ে রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা না দেয়ায় চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে স্বজন ও এলাকাবাসীর দাবি। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ডা. মোস্তারি বেগমের অপসারণ ও বিচারের দাবি করে রাতেই বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
এ সময় চিলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম সবাইকে শান্ত থাকার কথা বলেন এবং তাদের মুখে অভিযোগ শোনেন এবং তা ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে জানাবেন বলেও জানান। এদিকে পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে চিলমারী-কুড়িগ্রাম সড়কে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করে এলাকাবাসী। এ সময় থানাহাট বাজার আদর্শ বণিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আলহাজ মো. মাহফুজার রহমান মঞ্জু, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মো. আব্দুল আউয়াল, ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জিয়া, মামুনুর রশীদ ও গোলাম মাহবুব বিপ্লব প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Somrat
১০ আগস্ট ২০১৮, শুক্রবার, ৮:৫৯

ভাই সাজ্জাদ মোহাম্মদ, আপনি কি জানেন মৃত ব্যক্তি হার্টের রোগি ছিলেন? আপনার উপরিউক্ত মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি!!! কিছু মনগড়া কথা লিখেছেন আপনি উপরের মন্তব্যে। আপনি প্রথমে বলেছেন কুষ্টারি এলাকা থেকে হাসপাতাল যেতে সময় লাগে ১০ মিনিট!! আপনি কোন কুষ্টারির কথা বলেছেন তা আমার জানা নাই। তবে রোগির বাড়ি কলেজ মোড় সংলগ্ন বড় কুষ্টারি পাড়ায়। যেখান থেকে হেটে হাসপাতালে গেলেও বড় জোর সময় লাগে ৫মিনিট। আপনার জ্ঞাতার্থে জানিয়ে দেই রোগিকে অটো গাড়ি করে আনা হয়েছিল। আপনি আরো বলেছেন একজন মহিলা ডাক্টার কি করে রাতে হাসপাতালে যাবেন? একজন আবাসিক মেডিকেল অফিসারের দ্বায়িত্ব কি? ক্লিনিকে রোগি দেখার সুবিদার্থে সরকার নিশ্চই তাকে হাসপাতাল ক্যাম্পাসে থাকার সুযোগ করে দেন নাই। আর রাতের কথা বলিয়া লজ্জা দিবেন না আশা রাখি। আপনার প্রিয় মোস্তারি বেগম ক্লিনিকে রাত কটা পর্যন্ত রোগি দেখেন তা চিলমারির সবাই জানে। সেখানে অর্থের সুবাস পাওয়া যায় তাই সেখানে যেতে আসতে আয়ার প্রয়োজন হয়না!!!

সাজ্জাদ মোহাম্মদ
১০ আগস্ট ২০১৮, শুক্রবার, ৬:২৩

রোগি নিজ বাড়িতে অসুস্হ হলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। আমার জানা মতে কুস্টারি এলাকা থেকে চিলমারি হাসপাতালে যেতে একজন মানুষের সময় লাগে দশ মিনিট। এক্ষেত্রে একজন রোগিকে নিয়ে যেতে আরো দশ মিনিট বিলম্ব হতেই পারে। অর্থাৎ রোগিকে হাসপাতালে নিতে রাত দশটা বিশ বেজে যায়। ঐ সময় কি ডাঃ মোস্তারী ইমার্জেন্সি ডিউটিতে ছিলেন? প্রকাশিত সংবাদ বলছে-'না।' ক্যাাম্পাসের বাসায় থাকা একজন ডাক্তার কিভাবে একজন রোগিকে তাৎক্ষনিক চিকিৎসা দিবেন? আমার জানামতে হাসপাতাল থেকে ডাক্তারের ক্যাম্পাসের বাসাটির দূরত্ব পাঁচ-সাত মিনিটের। মোবাইলে রোগির লোকজনের সাথে কথোপকথন হয়েছে পাঁচ মিনিট। আচ্ছা, একজন মহিলা ডাক্তার কিভাবে রাত সাড়ে দশটায় হাসপাতালে যাবেন? চিন্তার বিষয়। আমি আমার পরিচিতজনদের সাথে কথা বলে জেনেছি ডাক্তার মোস্তারী হাসপাতাল থোকে আয়াকে নিয়ে আসতে বলেছিলেন। আয়া আসলে তিনি অনতিবিলম্বে হাসপাতালে পৌঁছান। এখানে প্রশ্ন হচ্ছে-ডাঃ মোস্তারী যখন হাসপাতালে পৌঁছান তখন কি রোগি বেঁচে ছিলেন? একজন হার্টের রোগির খুব অল্প সময়ে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। আর, রোগি যে একজন হার্টের রোগি ছিলেন সংবাদদাতা সংবাদে তা উল্ল্যেখ করেননি কেন? যদি ডাক্তার মোস্তারী হাসপাতালে পৌঁছার আগেই রোগি মারা যেয়ে থাকেন, তাহলে এখানে ডাক্তারের কি করার ছিল বা তার দোষ কি? খবরের ভিতরেও খবর থাকে। যে খবর আমাদের কিছু সাংবাদিক ভাইয়েরা লিখেন না। সংবাদদাতা কেন এখানে লিখেননি -মৃত্য রওশন আলী পবিত্র এশার নামাজের সময় বুকে ব্যাথা অনুভব করেন এবং তিনি বাজারের ঔষধের দোকান থেকে ঔষধ কিনে খান এবং বাসায় চলে যান? এখানে সংবাদদাতা কেন লিখেননি মৃত রওশন আলীর মৃত্য তার বাসাতেই হয়েছিল, যেটা তার স্ত্রী জানতেন! মৃত্যের ভাইয়েরা এ ব্যাপারে আগেই রোগিকে হাসপাতালে না নেয়ার জন্য গালাগালি করেন! সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। সেই বিবেককে বিসর্জিত করে কেন একজন সাংবাদিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রেখে সংবাদ লিখে পত্রিকায় পাঠান? আমি বহুল প্রচারিত "বাংলার জমিন" পত্রিকার সম্মানিত সম্পাদক মহোদয়ের কাছে আশা রাখবো তিনি এই স্পর্শকাতর বিষয়টিরর ক্ষেত্রে একজন সৎ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকের মাধ্যমে তদন্ত সাপেক্ষ সংবাদের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য ঘটনা বের করে নিয়ে আসার। নাহলে চিলমারি হাসপাতালটি হারাবে একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মেধাবী ডাক্তারকে যিনি ইতিপূর্বেই বহুবার হলুদ সাংবাদিকতা সহ অনেক চক্রান্তের স্বীকার হয়েছিলেন।

অন্যান্য খবর