× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা
ঢাকা, ১৫ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার

বিএনপি সংঘাতের উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে- ওবায়দুল কাদের

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১০ আগস্ট ২০১৮, শুক্রবার, ১০:১৫

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে চাপ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্দোলনের ফলে যে চাপ  তৈরি হয়েছে, মানুষের সচেতনতা বাড়াতে তার ‘দরকার ছিল’। বৃহস্পতিবার কেরানীগঞ্জের ইকোরিয়ায় বিআরটিএ’র যানবাহন পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন রাস্তায় বের হয়ে চেক করলে গাড়ির লাইসেন্স পাওয়া যায়। শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের কারণগুলো দূর করতে পারলে আর আন্দোলন হবে না মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের কারণে এখন যেভাবে সচেতনতা তৈরি হয়েছে এটাও কিন্তু ভয়ভীতির কারণে হয়েছে। মাঝে মাঝে এ ধরনের চাপ না এলে আসলে আমাদের সচেতনতা আসে না। এই চাপটার বড় প্রয়োজন ছিল।

মন্ত্রী বলেন, এটা সবার উপলব্ধি করা উচিত আমরা এখন থেকে সচেতন না হলে, আমরা যদি ইমপ্লিমেন্টেশন প্রসেসে না যাই এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াটাকে ত্বরান্বিত না করি, তা হলে আরো ভয়ঙ্কর অবস্থা হতে পারে। বিআরটিএতে দুর্নীতি কমছে না কেন-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিআরটিএতে অনিয়ম-দুর্নীতি একেবারে কমে গেছে- এটা আমি বলতে পারি না।
কারণ দালালের  দৌরাত্ম্য এখনো আছে, ভেতরের  যোগসাজশ অবশ্যই কিছুটা আছে। আর আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা অনেক কম, মাত্র পাঁচজন। আমি আশা করি ক্রমান্বয়ে উন্নতি হবে।

বিএনপি সংলাপ চায় না: বিএনপি মুখে সংলাপের কথা বললেও তারা আসলে সংলাপ চায় না, সংঘাত চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এ কারণে তারা বারবার সংঘাতের উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে। কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করে ব্যর্থ হয়েছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের ওপর ভর করেও ব্যর্থ হয়েছে তারা। সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্যপরিষদ আয়োজিত ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। বিকালে সচিবালয় চত্বরে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছে, ২১শে আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড মারে তাদের সঙ্গে কিসের সংলাপ, তাদের সঙ্গে কি সংলাপ হয়? তারপরও ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফোন করে ডিনারের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, সংলাপে বসতে চেয়েছিলেন, তারা আসেননি। না এসে যে ভাষায় কথা বলেছিল সেটা কোনো রাজনীতির ভাষা না। এরপরও কি তাদের সঙ্গে সংলাপ হয়।

‘যারা সংলাপের কথা বলে তাদের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। আমরা চাই না, বিএনপি ছাড়া নির্বাচন  হোক। আসলে সংলাপ বিএনপির ছলনা। তাদের সঙ্গে সংলাপ করে  কোনো ফলাফল আসবে না।

তিনি বলেন, ভুয়া ছাত্র সাজিয়ে, স্কুলব্যাগ কাঁধে দিয়ে ভেতরে ছুরি, চাপাতি, আগ্নেয়াস্ত্র- এটা কি ছাত্রছাত্রীদের কাজ। এটা ভুয়া ছাত্রছাত্রীদের কাজ। তারা কোটা আন্দোলনে ভর করে ব্যর্থ হয়েছে। এখন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনেও ভর করে ব্যর্থ। সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্যপরিষদের সভাপতি বদরুল হায়দারের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী  কেরামত আলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, আইন সচিব এএসএসএম জহিরুল হক, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Sakhawat Akhtar Khan
১০ আগস্ট ২০১৮, শুক্রবার, ৭:১৬

আপনিত প্রমান ছাড়া কথা বলেন না। তাইলে মনগড়া কথা না বলে আইনী ব্যবস্থা নেয়ায়াটাই সংগত।

অন্যান্য খবর