× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা রম্য অদম্য
ঢাকা, ২২ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার

‘অপরাধীরা সাধারণ ক্ষমা পেলেও শিক্ষার্থীরা সাধারণ ক্ষমা পায় না’

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টঅর | ১০ আগস্ট ২০১৮, শুক্রবার, ৬:৩১

গুরুতর সাজা প্রাপ্ত অপরাধীরা সাধারণ ক্ষমা পেলেও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে গ্রেফতার হওয়া ২২ শিক্ষার্থী কেন ক্ষমা পাবেনা বলে প্রশ্ন করেছেন নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘নিপীড়ন বিরোধী সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে এক মানববন্ধনে এই প্রশ্ন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আটক ২২ শিক্ষার্থীর দ্রুত মুক্তির দাবি করে সংগঠনের সমন্বয়ক স্টেট ইউনিভার্সিটির ছাত্র তৌফিক হাসান বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আটক শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। আমাদের ভাইরা সম্পূর্ণ নির্দোষ। সরকার তাদের আটক করে তার ঘৃণ্য মতবাদ প্রকাশ করছে। একটা যৌক্তিক আন্দোলনকে ভন্ডুল করতে সরকারি দল কিভাবে তার ছাত্র-পরিবহন সংগঠনকে লেলিয়ে দিলো। অন্যদিকে একটি প্রহসনের সড়ক আইন করে আমাদের দেখালো। আসলে এ আইন তাদের পক্ষেই।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অবনিতা স্বর্ণা বলেন, নির্মমভাবে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ ও সরকারের পেটোয়া বাহিনী হামলা চালায়। আন্দোলন নিঃশেষ করার জন্য এই হামলা চালানো হয়।
আপনারা জানেন, এই আন্দোলনের কারণে ২২ শিক্ষার্থীকে পুলিশ রিমান্ডে নেয়। এরপর তারা এখন কারাগারে আছে। যেখানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি স্যাররা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বলেছেন শিক্ষার্থীদের সাধারণ ক্ষমা করার জন্য। আমার প্রশ্ন হলো চোর বাটপার খুনিদের সাধারণ ক্ষমা করা যায়, ন্যায্য যৌক্তিক দাবির পক্ষে আন্দোলনকারীদের ক্ষমা করা যায় না?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন বলেন, আপনারা জানেন সেদিনও ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে সারারাত মারধর করে পরের দিন থানায় ধরিয়ে দেওয়া হয়। আমরা গিয়ে প্রক্টর স্যারের কাছে তাদের ছাড়িয়ে আনতে অনুরোধ করি। স্যার প্রথমে রাজি না হওয়ায় আমরা তাকে বলি যে আপনি থানায় ফোন না করা পর্যন্ত আমরা এখন থেকে যাবোনা । এরপর তিনি বাধ্য হয়ে থানায় ফোন করেন এবং সেখান থেকে সেই শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আমি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনারা আপনাদের শিক্ষকদের নিয়ে যান, চাপ সৃষ্টি করে আপনাদের সঙ্গীদের মুক্ত করে আনুন। আপনারা ভয় পাবেন না। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে লিখতেও ভয় পায়। আপনারা সত্য তুলে ধরুন । গুজবের বিরুদ্ধে সত্য কথা সামনে নিয়ে আসুন।

এছাড়া শিক্ষার্থীরা আটক ২২ জন শিক্ষার্থীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেন অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারিও দেন। এর পাশাপাশি নিরাপদ সড়কের জন্য সব দাবি পূরণের দাবি জানান তারা ।

মানববন্ধনে ইউল্যাব ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নিশাত প্রধান, স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বিল্লাল হোসেনসহ ঢাকা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
অাবু বকর
১০ আগস্ট ২০১৮, শুক্রবার, ৬:৪৯

কেউ রাজনীতিকে 'কঠিন' করেছিল আবার কেউ 'আন্দোলন'কে 'কঠিন' করতাছে- এই আর কী?

অন্যান্য খবর