× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার

যশোর সীমান্তে ৩৬ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর থেকে | ১১ আগস্ট ২০১৮, শনিবার, ৯:১৯

সীমান্ত পথে ভারতে পাচারের সময় যশোরের শার্শা উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া ও শিকড়ি এলাকা থেকে প্রায় ৭৫ কেজি সোনার বারসহ ৩ পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৬৩৫ পিস সোনার বার উদ্ধার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৪৯ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। যশোর সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া সোনার বারগুলোর মধ্যে এবারের চালানটি সর্ববৃহৎ বলে দাবি করেছে বিজিবি। বিজিবি জানায়, উদ্ধার হওয়া সোনার দাম ৩৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। আটক তিন ব্যক্তি হলেন যশোরের শার্শা উপজেলার শিকারপুর গ্রামের  তোজাম্মেজ হোসেনের ছেলে মহিউদ্দিন এবং দৌলতপুর গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে ইসরাফিল হোসেন ও ভবের বেড় গ্রামের কাশেম আলীর স্ত্রী সফুরা খাতুন।

বিজিবি ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল হক বলেন, ভারতে পাচারের সময় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৭৪ কেজি ৭৫৯ গ্রাম ওজনের ৬৩৬টি সোনার বারসহ তিন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাঁরা সোনা পাচারের বাহক হিসেবে কাজ করছিলেন।

যশোর ৪৯ বিজিবি’র কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল আরিফুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়নের আভিযানিক টহল দল গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শার্শা উপজেলার শিকারপুর সীমান্তের ২৯ নম্বর মেইন পিলার  থেকে বাংলাদেশের প্রায় ৩০০ গজ অভ্যন্তরে নারিকেলবাড়িয়া এলাকায়  অভিযান চালায়। এ সময় তিনটি বস্তা নিয়ে তিন ব্যক্তি ভারতের অভ্যন্তরে ঢোকার চেষ্টা করেন। বিজিবি’র সদস্যরা তাঁদের চ্যালেঞ্জ করলে বস্তা ফেলে দুই ব্যক্তি পালিয়ে যান।
এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনটি বস্তা থেকে ৭২ কেজি ৭৫৯ গ্রাম ওজনের ৬২৪টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। আটক হওয়া মহিউদ্দিনের কাছে একটি রামদা পাওয়া যায়

বিজিবি আরো জানায়, অপরদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে শার্শা উপজেলার শিকড়ি সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভ্যানে করে দুই ব্যক্তি সীমান্তের দিকে যাচ্ছিলেন। বিজিবি’র সদস্যরা তাঁদের গতিরোধ করেন। এ সময় তাঁরা তাঁদের কাছে থাকা একটি ব্যাগ ফেলে পালানোর চেষ্টা করে। ব্যাগ তল্লাশি করে ২ কেজি ওজনের ১১টি সোনার বার পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সফুরা খাতুন ও ইসরাফিলকে আটক করা হয়।

বিজিবি ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক আরিফুল হক বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চোরাচালানের দু’টি মামলা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের বেনাপোল বন্দর থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া উদ্ধার হওয়া সোনাও  বেনাপোল পোর্ট থানায়  জমা দেয়া হয়েছে।

এদিকে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে এই বিপুল পরিমাণ সোনা উদ্ধার ও তার সঙ্গে যারা আটক হয়েছে তারা সোনার ক্যারিয়ার। এই সোনা পাচারের মূল হোতারা রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। বিজিবি’র হাতে আটককৃতদের রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদ করলে সোনা পাচারের মূল হোতাদের চিহ্নিত করা সম্ভব বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর