ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০১৮, রোববার

চট্টগ্রাম ও মাগুরায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

অনলাইন ডেস্ক | ১১ আগস্ট ২০১৮, শনিবার, ১০:১৮

চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও মাগুরার মহম্মদপুরে পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, আনোয়ারায় নিহত নাসির ওরফে মামুন (৩৫) মামুন খুন-ধর্ষণসহ ১৮ মামলার আসামি। অন্যদিকে মহম্মদপুরে নিহত বাশার ডাকাত দলের সদস্য। তার বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দুলাল মাহমুদ বলেন, ১৮ মামলার আসামি মামুনকে গ্রেপ্তারের জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিলেন। শুক্রবার বিকেলে তিনি নিজ এলাকায় ফিরেছেন বলে পুলিশের কাছে খবর আসে। এর ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাতে তাকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে গেলে তার অনুসারী মামুনকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে। ওসি জানান, বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত মামুনকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে দুইটি এলজি ও পাঁচ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বন্দুকযুদ্ধে আনোয়ারা থানার একজন এএসআই ও একজন কনস্টেবল আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ওসি।
অপরদিকে, মাগুরার মহম্মদপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত বাশার বিশ্বাস সোহাগ (৪০) ডাকাত দলের সদস্য বলে পুলিশ দাবি করেছে। তার নামে মহম্মদপুর থানায় চুরি ও ডাকাতির ১২টি মামলা রয়েছে। নিহত সোহাগের মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা গ্রামের গোলাম সরোয়ার বিশ্বাসের ছেলে। মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, দিবাগত রাতে মহম্মদপুরে রামপুর এলাকায় ডাকাতির মালামাল ভাগাভাগি করছিল একদল ডাকাত। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছায়। এসময় ডাকাত দলের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধ হয়। এতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে বাশারের মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৪ রাউন্ড বন্দুকের গুলি, ৩টি গুলির খোসা এবং ৪টি রাম দা উদ্ধার করেছে। নিহত সোহাগের নামে মহম্মদপুর থানায় চুরি ও ডাকাতির ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।