× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা রম্য অদম্য
ঢাকা, ২২ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার

তেল বা চর্বিযুক্ত খাবার খেলেও অতিরিক্ত মেদ জমবে না- কীভাবে?

শরীর ও মন

অনলাইন ডেস্ক | ২২ আগস্ট ২০১৮, বুধবার, ১২:১৪

আপনি যতই চর্বিযুক্ত খাবার খান না কেন, গায়ে মেদ জমার সুযোগ থাকবে না - এও কি সম্ভব?
বিশেষ এক ধরণের ওষুধের মাধ্যমে মানবদেহে এই বৈশিষ্ট্য পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন গবেষক।
এই গবেষণার সহ রচয়িতা ও গবেষক ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান এরিখম্যান জানান খুব সহজেই আবিষ্কার করা যেতে পারে এধরণের ওষুধ।

মিজ. এরিখম্যান বলেন, ‘আমরা যতটুকু জানতে পারি, চর্বি পাকস্থলিতে জমা হয়। রসবাহী ধমণী (লিম্ফ্যাটিক ভেসেল), যেগুলোকে ল্যাকটিওস বলা হয়, এর মাধ্যমে চর্বি জমা হয় পাকস্থলিতে।’

মিজ.এরিখম্যান জানান চর্বি উপাদানগুলো ছিদ্রের মাধ্যমে সহজেই ল্যাকটিওসের ভেতরে প্রবেশ করে। এই ছিদ্রগুলোকে বলা হয় ‘বাটন’।

ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা কিছু ইঁদুরের ওপর একটি পরীক্ষা চালান গবেষকরা। ইঁদুরগুলোর দেহে অবস্থিত ল্যাকটিওসে ঐ ‘বাটন’ বা ছিদ্রগুলো ছিল না। যার ফলে ছিদ্রের মাধ্যমে ইঁদুরের দেহে চর্বি প্রবেশ করার বা জমার কোনো সুযোগ ছিল না।
তিনি বলেন, ‘দুইটি জিন পরিবর্তন করে বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে এই ইঁদুরগুলোকে। আমাদের তৈরি করা ইঁদুরগুলোর দেহের ল্যাকটিওসে ঐ ছিদ্রগুলো নেই। কাজেই উচ্চমাত্রায় চর্বিযুক্ত খাবার খেলেও ইঁদুরগুলোর ওজন খুব একটা বাড়েনি।’

গবেষকরা দেখতে চেয়েছিলেন এই প্রভাবগুলো প্রাণীর দেহে কোনো ওষুধের মাধ্যমে তৈরি করা যায় কিনা।
এমন একটি ওষুধ যা ল্যাকটিওসের ছিদ্রগুলো বন্ধ করে এবং চর্বি শোষণ থেকে বিরত রাখে।

যুক্তরাষ্ট্রে গ্লুকোমা রোগীদের জন্য এই ধরণের ওষুধ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। জাপান ও চীনেও বিশেষ ক্ষেত্রে ডাক্তাররা এধরণের ওষুধের বিধান দিয়ে থাকে বলে জানান মিজ এরিখম্যান।

‘আমাদের ধারণা, এই ধরণের ওষুধ ওজন কমানো এবং মানবদেহে স্থ’ূলতার বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যেতে পারে।’
তবে মানুষের দেহে কার্যকরীভাবে ব্যবহারের আগে কি পরিমাণে ব্যবহার করা উচিত এবং এর পরিণাম কি হতে পাওে সেবিষয়ে সুষ্ঠু যাচাই-বাছাই প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন মিজ. এরিখম্যান।

একইসঙ্গে এর ব্যবহারে কি কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পাওে সেবিষয়েও পরীক্ষা নিরীক্ষা করা প্রয়োজন।
মিজ এরিখম্যান বলেন, ‘নতুন কোনো ওষুধ তৈরি করে বাজারজাত করতে ১২  থেকে ১৫ বছর লেগে যায়। এক্ষেত্রে যেহেতু ওষুধ রয়েছেই, সেটিকেই মানবদেহে ব্যবহারের জন্য উপযোগী হিসেবে তৈরি করা যায় কিনা সেবিষয়ে কাজ করার চিন্তা করছি আমরা।’
সূত্র: বিবিসি

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর