× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
কুমিল্লায় জামিন নামঞ্জুর মেডিকেল বোর্ড গঠন

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার প্রশ্নে শুনানি

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ১০:৩৪

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিচারকাজ তার অনুপস্থিতিতে চলবে কি-না এ প্রশ্নে আদেশের জন্য ২০শে  সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছে আদালত। একই সঙ্গে পরিত্যক্ত  কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে আসতে খালেদা জিয়ার অনিচ্ছা এবং তার  শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে দুই আইনজীবীর সাক্ষাতের বিষয়ে কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে এবং এ মামলায় তার জামিন বর্ধিতকরণের আদেশ চেয়ে গতকাল আদালতে আবেদন করেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ও মাসুদ আহমেদ তালুকদার। ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন। ওই ধার্য তারিখ পর্যন্ত খালেদা জিয়া জামিনে থাকবেন বলে জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। গতকালও খালেদা জিয়া কারাগারের ওই আদালতে আসতে তার অনিচ্ছার কথা জানান।

এদিকে এই মামলার পরবর্তী বিচার কার্যক্রমে খালেদা জিয়া হাজির না থাকলে এবং তার আইনজীবীরা বিচার পরিচালনায় অংশ না নিলে রায়ের তারিখ ধার্যের আর্জি জানান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কৌঁসুলি মোশাররফ হোসেন কাজল।

এর আগে বুধবার এক আদেশে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ চলতে পারে কিনা সে বিষয়ে বৃহস্পতিবার ব্যাখ্যা দিতে তার আইনজীবীদের আদেশ দেন আদালতের বিচারক।
গতকাল প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে এর পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। এর আগে গত ৫ই সেপ্টেম্বর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের আদালতে এসে খালেদা জিয়া জানান, তিনি অসুস্থ। বাম পা ও বাঁ-হাত নাড়াতে পারেন না। প্যারালাইজডের মতো হয়ে গেছে।

এ অবস্থায় বার বার আদালতে আসতে পারবেন না। যা ইচ্ছা সাজা দিক। ওই দিন এক আদেশে এই মামলার অসমাপ্ত যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য ১২ ও ১৩ই সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। গতকাল খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী সানাউল্লা মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মো. আমিনুল ইসলাম ও মো. আখতারুজ্জামান শুনানি করেন। এ মামলার অন্য দুই আসামি মনিরুল ইসলাম খান ও জিয়াউল ইসলাম মুন্না গতকাল আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
 
গতকাল আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই অসমাপ্ত যুক্তিতর্কের শুনানির আর্জি জানান। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বিএনপির চেয়ারপারসনের জামিন বর্ধিতকরণ ও তার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতিসহ সময়ের  আবেদন করেন। তিনি বলেন, কাস্টডিতে দেখেছি তিনি আসতে অনিচ্ছুক। তার চিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইতিমধ্যে বিএনপির সিনিয়র নেতারা সাক্ষাৎ করেছেন।

সরকার মেডিকেল বোর্ড গঠনের কথা বলেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আমরা কিছুই জানতে পারিনি। এ ছাড়া তিনি কি কারণে আদালতে আসতে অনিচ্ছুক তাও আমরা জানতে পারিনি। আপনার (বিচারক) অনুমতি সাপেক্ষে আমরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া কেন আদালতে আসতে অনিচ্ছার কথা জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থাই বা কি সে সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাই।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার শুনানি পেছাতে সময়ের আবেদন জানিয়ে বলেন, খালেদা জিয়া এই আদালতে আসতে অনিচ্ছুক। এই ‘অনিচ্ছুক’ শব্দটার ব্যাখ্যা কি? ব্যাখ্যা হলো এই যে, তিনি শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। আদালতে এসে বিচারকাজে অংশ নেয়ার মতো অবস্থা তার নেই। ওনার শারীরিক অযোগ্যতাই আদালতে না আসার কারণ। এখানে অন্য কিছু নেই। আদালতের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনার অনুমতি সাপেক্ষে আমরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই। আপনি নিজেও ওই দিন (৫ই সেপ্টেম্বর) দেখেছেন তিনি অসুস্থ।

সরকার একটি মেডিকেল বোর্ডও গঠন করেছে। আদালতে তার না আসার অর্থ এই নয় যে, তিনি আপনাকে অবজ্ঞা করছেন। মাসুদ আহমেদ তালুকদার আরো বলেন, আদালত গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে আমাদের প্রশ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে আমরা একটি আবেদন করেছি। প্রধান বিচারপতি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, তিনি এ বিষয়টি দেখবেন। এখন আমাদেরকে যৌক্তিক সময় দেয়া হোক।

আসামী পক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, আদালতে যদি ‘কোরাম-নন-জুডিস’ হয় তাহলে আদালতের রুটিন ওয়ার্ক ছাড়া মূল কার্যক্রমে যাওয়া যায় না। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে প্রসিকিউশন যে দাবি করছে তা ভিত্তিহীন। আমরা এখনো বলছি এই আদালত উন্মুক্ত আদালত নয়।

এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে আমরা আবেদন করেছি। এটি পেন্ডিং আছে। পরিত্যক্ত এই কারাগারে আদালত স্থাপনের বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে আইনগত পদক্ষেপও নেয়া হতে পারে। তাছাড়া খালেদা জিয়া অসুস্থ। এখন এই ইস্যুগুলো মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত রুটিন ওয়ার্কের বাইরে আদালতের অন্য কার্যক্রমে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, আপনারা (খালেদা জিয়ার আইনজীবী) তার অনুপস্থিতিতে তার জামিনের আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু যুক্তিতর্কের শুনানি করতে পারবেন না? তিনি বলেন, কোরাম মানে কি? আমরা কি স্টক এক্সচেঞ্জের মিটিংয়ে বসেছি না-কি? আপনারা আদালতে রোজকার কাজ করতে পারবেন, কিন্তু যুক্তিতর্কের শুনানি করতে পারবেন না- এটা কি হয়। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়াকে ছাড়াও আমরা মামলা চালাতে পারবো।

এসময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দুদকের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি আইন দেখান। জবাবে দুদকের আইনজীবী বলেন, আপনারা যেহেতু বলেছেন আপনারা আগে দেখান। মোশাররফ হোসেন কাজল আরো বলেন, আদালত যেখানে বসেন সেটাই আদালত। এটাই প্রসিডিং। আমি বলবো আপনারা যুক্তিতর্ক করুন।

জামিনে থাকবেন আর যুক্তিতর্ক করবেন না- এটা তো হতে পারে না। এ সময় ফৌজদারি আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে দুদকের আইনজীবী বলেন, কোনো আসামি যদি না আসেন, অনুপস্থিত থাকেন আর অন্য আসামিরা যদি আদালতে হাজির থাকেন তাহলে যিনি অনুপস্থিত থাকবেন তাকে হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেখিয়ে মামলা পরিচালনা করা যায়। এক্ষেত্রে ওই আসামির আইনজীবীরাই তার প্রতিনিধিত্ব করবেন। এ বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ (এ) তে আদালতের বিচারককে অনেক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে যদি মামলা আর না এগোয় কিংবা তার আইনজীবীরা যদি মামলা পরিচালনা না করেন তাহলে আদালতের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হোক।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, ৫৪০ (এ) ধারা খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তিনি তো কাস্টডিতে আছেন। তাকে হাজির করার দায়িত্ব জেল কর্তৃপক্ষের। এখন তিনি আসতে পারবেন না তার অর্থ এই নয় যে, তিনি বিচারকাজে অংশ নেবেন না।  

বিএনপির চেয়ারপারসনের আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, উনি তো অনন্তকাল ধরে অসুস্থ থাকবেন না। আদালতের বিচারকের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের যৌক্তিক সময় দেন। আমরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আসি। এই মামলায় বিচারকাজে অসহযোগিতা করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আপনি সময় দেন। আমরা তাকে সার্বিক বিষয় অবহিত করবো আর তার কাছ থেকে নির্দেশনা নেবো।

শুনানির একপর্যায়ে আদালতের বিচারক খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আসামি কাস্টডিতে থাকলে জেল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হলো তাকে উপস্থাপন করা। কিন্তু তিনি (খালেদা জিয়া) আসতে অনিচ্ছুক। এখন বাকি দু’ দুজনের (মনিরুল ইসলাম খান ও জিয়াউল ইসলাম মুন্না) বেলায় কি হবে? আর অনিচ্ছুক বিষয়টির ব্যাখ্যা করবেন কীভাবে?

জবাবে খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, তিনি  নিজেই আদালতে এসে বলে গেছেন যে, তিনি অসুস্থ। আপনি নিজেও তা দেখেছেন। তিনি অনিচ্ছুক তার শারীরিক অসমর্থতার কারণে।

দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, কাস্টডিতে যদি লেখা থাকতো যে খালেদা জিয়া অসুস্থ। তাহলে কোনো কথা ছিল না। কিন্তু তিনি আদালতে আসতে অনিচ্ছুক। এখন তিনি যেখানেই থাকুন আদালতের কার্যক্রম শুরু হোক। এ সময় খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে প্রয়োজনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিচারকাজ পরিচালনার কথা বলেন দুদকের আইনজীবী। আদালতের বিচারকের উদ্দেশ্যে মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘খালেদা জিয়া আদালতে আসতে চান না।

আদালতকে সহযোগিতা করতে চান না। তার আইনজীবীরা তো দায়িত্ব নিতে পারেন। কিন্তু উনারাও দায়িত্ব নিতে চান না। এখন তিনি যদি নাই আসেন তাহলে আমরা কতদিন অপেক্ষা করবো। যদি তারা শুনানি না করেন তাহলে রায়ের তারিখ ধার্য করা হোক।’ শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে এই মামলার বিচার চলবে কিনা- এ প্রশ্নে ২০শে সেপ্টেম্বর আদেশ দেয়া হবে বলে উভয়পক্ষের আইনজীবীদের জানান আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান।

আদালতের আদেশ শেষে খালেদা জিয়ার আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, ২০শে সেপ্টেম্বর আদেশ দেয়ার কথা বলা হলেও ওই দিন এই এলাকায় তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতি রয়েছে। তাই, আদেশের তরিখ হয় তো পেছাতে পারে। আর ওই তারিখ পর্যন্ত এই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বহাল থাকবে বলে জানান তিনি। প্রসঙ্গত, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ই আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক পুলিশের সাবেক পরিচালক জিয়াউল ইসলাম ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সাবেক একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

কুমিল্লার আদালতে জামিন নামঞ্জুর
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা থেকে জানান, কুমিল্লার আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর করা হয়েছে। জেলার চৌদ্দগ্রামে কাভার্ড ভ্যান আগুনে পোড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবীদের দাখিলকৃত আবেদনের শুনানি শেষে গতকাল বিকালে জেলা ও দায়রা জজ কে এম সামছুল আলম এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০দলীয় জোটের ডাকা লাগাতার হরতাল-অবরোধ চলাকালে ২০১৫ সালের ২১শে জানুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার হায়দারপুল এলাকায় একটি কাভার্ড ভ্যান আগুনে পোড়ানোর ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার ৪ দিন পর পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করে। এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর বুধবার শুনানি হয় এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার অধিকতর শুনানি হয়। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর করেন।

খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. কাইমুল হক রিংকু বলেন, এ মামলার সব আসামি জামিনে রয়েছেন। আমরা ন্যায় বিচার পাইনি, এখন আমরা উচ্চ আদালতে যাবো এবং সেখানে ন্যায়বিচার পাবো। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন বলেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলছে।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় ৫ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় ৫ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। গতকাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবদুল্লাহ আল হারুন গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কারা-কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিঠি পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার পাঁচ সদস্যের এই মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ইন্টার্নাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আব্দুল জলিল চৌধুরীকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের এই মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। মেডিকেল বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন, কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হারিসুল হক, অর্থপেডিক্স ও সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু জাফর চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক তারেক রেজা ও ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা.  বদরুনন্নেসা আহমেদ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর