× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২০ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার

দেশে এখন মানুষ নিজের ছায়াকেও ভয় পায়: রিজভী

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ১২:৪২

সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। আজ নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। রিজভী বলেন, পোলিও টিকা খাওয়ানোর একটি স্লোগান আমরা অনেকদিন যাবৎ শুনে এসেছি ‘বাদ যাবে না একটি শিশু’। এখন সরকার এই স্লোগানটি ভিন্ন অর্থে প্রয়োগ করছে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর। অর্থাৎ ‘মামলা-হামলায় বাদ যাবে না একটিও বিএনপি নেতাকর্মী’। দেশে এখন মানুষ নিজের ছায়াকেও ভয় পাচ্ছে। মনে হয়-দেশের প্রতিটি মানুষকে কেউ না কেউ অনুসরণ করছে, গতিবিধি লক্ষ্য করা হচ্ছে। এমনিতে গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের ক্রমাগত বিস্তৃতি ঘটছে, তার ওপর রাজধানীসহ দেশের আনাচে কানাচে এমন কোন বিএনপিসহ বিরোধী দলের মানুষ বা সমর্থক নেই যাদের নামে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়নি।
পাশাপাশি বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মী সমর্থকদের ছাঁকনি দিয়ে ধরা হচ্ছে। রাষ্ট্রপক্ষ জোর করে আদালতকে ব্যবহার করে বিচারকার্য ছাড়াই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলার রায় দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন,  দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে গুরুতর অসুস্থ। তিনি হাত-পা নাড়াতে পারেন না, হাঁটাচলা করতে তাঁর মারাত্মক অসুবিধা হয়। চিকিৎসকরা বলেছেন-তাঁর বাম হাত ও পা প্রায় অবশ হয়ে পড়েছে। গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালতে যেতে পারবেন না, বেগম জিয়া সেকথাটিই বলেছেন। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ জোর করে আদালতকে ব্যবহার করে বিচারকার্য ছাড়াই রায় দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। এটি সম্পূর্ণরুপে ন্যায় বিচারের পরিপন্থী, অমানবিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘন। প্রতিহিংসার বিচার চরিতার্থ করতেই তাড়াহুড়ো করার তাগিদ দেয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রপক্ষের এই চাপ সরকারের নির্দেশেই হচ্ছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে বলেছেন, যেহেতু খালেদা জিয়া আদালতে আসতে চাচ্ছেন না, তাই মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করুন। আদালতের কার্যক্রম শেষ করতে লিখিত আবেদনও দিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে সরকার চক্রান্তমূলকভাবেই দেশনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে সাজা দিয়েছে সেটি আবারও প্রমাণ করলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হোক, রাষ্ট্র পক্ষের এই বক্তব্যে ফুটে উঠেছে ,সরকার প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখেছেন। রিজভী আহমেদ বলেন, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই তাড়াহুড়ো করার তাগিদ দেয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রপক্ষের এই চাপ সরকারের নির্দেশেই হয়েছে। আদালত সরকারের হুকুমের বাইরে যেতে পারবে কিনা সেটি নিয়ে জনগণ সন্দেহ পোষণ করে। নিম্ন আদালত সরকারের চাপ প্রতিহত করে ন্যায় বিচার করতে পারবেন কি? এখনও পর্যন্ত সেই দৃষ্টান্ত আমরা দেখিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সহ দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম পটু প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
kazi
১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ১২:৫৬

মিস্টার রিজভী বাংলাদেশের লোক তিন দলের শাসন কালের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন । সবাই একই জাতের। জনগণ সব সরকারের আমলেই নিজের ছায়াকে ভয় পায়। জনগণ রাজনৈতিক দলগুলির হাতে জিম্মি।

অন্যান্য খবর