× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, রবিবার

বাছাই পর্বে চ্যাম্পিয়ন হওয়াই লক্ষ্য বাংলাদেশের

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শনিবার, ৯:৪৩

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই পর্বের গত আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েই মূল পর্বে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ। এবারো বাংলাদেশের টার্গেট বাছাই পর্বের বাধা টপকে চূড়ান্ত পর্বে জায়গা পাওয়া। বাছাই পর্ব শুরু হচ্ছে আজ। ঢাকার কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সকাল সাড়ে এগারটায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুখোমুখি হবে ভিয়েতনাম। একই ভেন্যুতে দুপুর সাড়ে তিনটায় লেবাননের প্রতিপক্ষ বাহরাইন। স্বাগতিক বাংলাদেশের মিশন শুরু হচ্ছে আগামী ১৭ই সেপ্টেম্বর থেকে। ওই দিন স্বাগতিকদের প্রতিপক্ষ বাহরাইন। ১৯শে সেপ্টেম্বর মারিয়া তহুরাদের প্রতিপক্ষ লেবানন। বাংলাদেশ তৃতীয় ম্যাচ খেলবে ২১শে সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে এবং গ্রুপের শেষ ম্যাচ ২৩শে সেপেটম্বর ভিয়েতনামের সঙ্গে।
বাছাই পর্বের আগের আসরে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নরা উঠেছিল চূড়ান্ত পর্বে। গতবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এই আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েই চূড়ান্ত পর্বে জায়গা পেয়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। এবার চূড়ান্ত পর্বে যেতে দুটি সিঁড়ি ভাঙতে হবে দলগুলোকে। প্রথম রাউন্ডের ৬ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও সেরা দুই রানার্সআপ দল উঠবে দ্বিতীয় রাউন্ডে। ৮ দল দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলবে ২ গ্রুপে। সেখান থেকে চারটি দল উঠবে চূড়ান্ত পর্বে। চূড়ান্ত পর্বের আয়োজক এবারো থাইল্যান্ড। স্বাগতিক থাইল্যান্ড এবং উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান সরাসরি খেলবে শিরোপা নির্ধারণী পর্বে। এবারের সমীকরণ একটু কঠিন হলেও এসব বাধা টপকে খেলতে চান বাংলাদেশের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। বাছাই পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়ে মূল পর্বে অংশ নিলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি কৃষ্ণা-মার্জিয়ারা। শক্তিশালী জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে দাঁড়াতেই পারেনি মেয়েরা। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচে লড়াকু ফুটবল খেলে বাংলাদেশ। চলতি আসরেও তারই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান বাংলাদেশের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। টুর্নামেন্ট উপলক্ষে বাফুফে ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছোটন বলেন ‘ডিসেম্বর থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছি। এর মধ্যে আমরা তিনটি টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে দুটিতে চ্যাম্পিয়ন একটিতে রানার্সআপ হয়েছি। বাছাই পর্বে ৪ দলই র‌্যাঙ্কিংয়ে আমাদের চেয়ে এগিয়ে। তবে মাঠের লড়াইয়ে আমরা নিজেদের এগিয়ে রাখবো।’
ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ থেকে অন্য দলগুলো এগিয়ে থাকলেও টুর্নামেন্টে খেলতে আসা বাকি দলগুলোও সমীহ করছে বাংলাদেশকে। অন্যরা স্বাগতিকদের সমীহ করলেও ছোটন মনে করেন কোনো দলই বাংলাদেশ থেকে পিছিয়ে নেই। সবারই সম্ভাবনা আছে,‘অন্য দলগুলো আমাদের সম্মান জানিয়েছে তাই তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তবে এখানে প্রায় সব দলই সমশক্তির। আমরা নিজেদের সেরা খেলাটা খেলবো। গতবার কোয়ালিফাই করেছিলাম। এবারো করবো ইনশাআল্লাহ।
সর্বশেষ ২০১৩ সালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের মূল পর্বে খেলেছিল বাহরাইন। তবে এবারের টুর্নামেন্টে সব দলেরই সমান সম্ভাবনা দেখছেন বাহরাইন কোচ খালেদ হাসান,‘সব দলেরই সম্ভাবনা আছে। যে কোনো দলেরই লক্ষ্য থাকে ফাইনাল রাউন্ডে খেলা। আমরাও এর ব্যতিক্রম নই।’
লেবাননের কোচ ডেমির জিয়ান বলেন,‘আমাদের দুই মাসের প্রস্তুতি। স্থানীয় সিনিয়র দল এবং অনূর্ধ্ব ১৯ দলের সঙ্গে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি। এর মধ্যে একটিতে জয় আর দুটিতে হার। আমাদের লক্ষ্য মেয়েদের ফুটবলের উন্নতি করা। অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্যই এখানে আসা। তবে এখানে ভালো করতে পারলে খুব খুশি হবো।’ বাংলাদেশ ছাড়াও টুর্নামেন্টে ভিয়েতনামকে শক্তিধর দল হিসেবে দেখছে বাকি দলগুলো। দুই মাসের প্রস্তুতি নেয়া ছাড়াও কয়েকটা টুর্নামেন্টে খেলেই ঢাকা এসেছে দলটি। দলটির কোচ এনগুয়েন থি মাই ল্যান বলেন,‘আমাদের লক্ষ্য মূল পর্ব। আপাতত দ্বিতীয় রাউন্ডে চোখ। এখানে খেলতে আসা কয়েক দলের ম্যাচ দেখেছি। স্বাগতিক বাংলাদেশই ফেভারিট। লেবাননও ভালো দল। তবে আমাদেরও সম্ভাবনা আছে।’ আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের কোচ কাচ হরিয়া আল তাহিরিও বাংলাদেশকে শক্তিধর প্রতিপক্ষ হিসেবেই দেখছেন,‘আমি মনে করি সব দলই সেরা। সব দলেরই সবল-দুর্বল দুইটা দিকই থাকে। লেবানন ও বাহরাইনের লেভেলটা ভালো। তবে স্বাগতিক হিসেবে বাংলাদেশও শক্ত প্রতিপক্ষ।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর