× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, রবিবার

পরিসংখ্যানেও প্রেরণা তামিমের

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শনিবার, ৯:৪৮

গত তিন এশিয়া কাপের দুইবারের ফাইনালিস্ট বাংলাদেশ। এবারের আসরে বাংলাদেশকে গোনায় রেখেছেন জহির আব্বাসের মতো ক্রিকেট লিজেন্ডরাও। ব্যাট হাতে উড়ন্ত ফর্ম নিয়ে ভক্তদের আশা দেখাচ্ছেন তামিম ইকবাল। আর এশিয়া কাপেও বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যানের ছবিটা তামিমেরই। সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে জোড়া সেঞ্চুরি ও এক অর্ধশতকে তামিমের ব্যাট থেকে আসে ৭৭.৭৭ গড়ে সর্বাধিক ২৮৭ রান। আর ক্যারিয়ারে এশিয়া কাপের ১২ ওয়ানডে ম্যাচে ৪৩.০৮ গড়ে তামিম ইকবালের সংগ্রহ ৫১৭ রান। ঘরের মাঠে ২০১২ সালে ওয়ানডে ফরমেটে ও ২০১৬ টি-টোয়েন্টি ফরমেটের এশিয়া কাপে ফাইনালে খেলার কৃতিত্ব দেখিয়েছে টাইগাররা। ২০১৯ বিশ্বকাপ সামনে রেখে আবারো ওয়ানডে ফরমেটে ফিরেছে এশিয়া কাপ। ২০১৬ ছাড়া এশিয়া কাপের প্রতিটি আসরই হয়েছে ওয়ানডে ফরমেটে। ওয়ানডে ফরমেটের এশিয়া কাপে ৩৭ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ৪টি। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের সেঞ্চুরিও রয়েছে চারটি। সর্বোচ্চ ১১৭ রানের ইনিংসটি মুশফিকুর রহীমের। ২০১৪’র আসরে ফতুল্লায় ভারতের বিপক্ষে এ ইনিংস খেলেন মুশফিক। ২০০৮ এশিয়া কাপে করাচিতে ভারতের বিপক্ষে ১১৫ রানের ইনিংস রয়েছে অলোক কাপালির। একই আসরে লাহোরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ১০৯ রানের ইনিংস খেলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। আর ২০১৪’র আসরে ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে এনামুল হক বিজয় করেন কাঁটায় কাঁটায় ১০০ রান। ওয়ানডে ফরমেটের এশিয়া কাপে বল হাতে ইনিংসে সেরা  নৈপুণ্যটা পেসার সাইফুল ইসলামের। ১৯৯৫ এশিয়া কাপে শারজায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বল হাতে ১০ ওভারের স্পেলে ৩৬ রানে চার উইকেট নেন সাইফুল। ওয়ানডে এশিয়া কাপে আর কোনো বাংলাদেশি বোলারের ইনিংসে চার উইকেটের নজির নেই।
আসরে টাইগারদের দলীয় ৩০০ রানের কীর্তি রয়েছে দুইটি। ২০১৪তে ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩২৬/৩ ও ২০০৮’র আসরে লাহোরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৩০০/৮। দলীয় শতরানের আগে বাংলাদেশের ইনিংস গুটানোর ঘটনা রয়েছে তিনটি। তবে চলতি গত ১৮ বছরে টাইগারদের এমন ভোগান্তির স্মৃতি নেই। ২০০০ সালে ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮৭ রানে গুঁড়িয়ে যেতে দেখা গিয়েছিল টাইগারদের। ১৯৮৬তে মোরাতুয়ায় পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ অলআউট হয় ৯৪ রানে। আর চট্টগ্রামে ১৯৮৮ আসরে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে নির্ধারিত ৪৫ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯৯/৮-এ।

ওয়ানডে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান
ফলাফল: ম্যাচ ৩৭, জয় ৪, হার ৩৩
দলীয় সর্বোচ্চ: ৩২৬/৩ প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, ঢাকা ২০১৪
দলীয় সর্বনিম্ন: ৮৭ প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, ঢাকা ২০০০

সর্বাধিক রান
১. তামিম ইকবাল: ১২ ম্যাচে ৫১৭ রান, ফিফটি ৬টি, সেঞ্চুরি নেই, সর্বোচ্চ ৭০।
২. মুশফিকুর রহিম: ১৬ ম্যাচে ৩৯৭ রান, ফিফটি ১টি, সেঞ্চুরি ১টি, সর্বোচ্চ ১১৭ রান।
৩. আতহার আলি খান: ১১ ম্যাচে ৩৬৮ রান, ফিফটি ২টি, সেঞ্চুরি নেই, সর্বোচ্চ ৮২।
৪. সাকিব আল হাসান: ৯ ম্যাচে ৩৫৩ রান, ফিফটি ৩টি, সেঞ্চুরি নেই, সর্বোচ্চ ৬৮।
৫. আকরাম খান: ১৩ ম্যাচে ২৪৫ রান, ফিফটি ২টি, সেঞ্চুরি নেই, সর্বোচ্চ ৬৪।

সর্বোচ্চ রানের জুটি
১. ইমরুল কায়েস-জুনায়েদ সিদ্দিকী: দ্বিতীয় উইকেটে ১৬০ রান, পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০১০।
২. ইমরুল কায়েস-এনামুল বিজয়: উদ্বোধনী জুটিতে ১৫০ রান, পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০১৪।
৩. আশরাফুল-রকিবুল হাসান: তৃতীয় উইকেটে ১৪১ রান, আরব আমিরাতের বিপক্ষে ২০০৮।
৪. মুশফিকুর রহীম-এনামুল বিজয়: তৃতীয় উইকেটে ১৩৩ রান, ভারতের বিপক্ষে ২০১৪।
৫. তামিম ইকবাল-জহুরুল ইসলাম: দ্বিতীয় উইকেটে ১১৩ রান, ভারতের বিপক্ষে ২০১২।

সর্বাধিক উইকেট
১. আবদুর রাজ্জাক: ১৮ ম্যাচে ২২ উইকেট, সেরা বোলিং ৩/১৭।
২. মাশরাফি বিন মুর্তজা: ১৩ ম্যাচে ১২ উইকেট, সেরা বোলিং ২/৩৭।
৩. সাকিব আল হাসান: ৯ ম্যাচে ১২ উইকেট, সেরা বোলিং ২/৩৯।
৪. শাহাদাত হোসেন: ৯ ম্যাচে ১০ উইকেট, সেরা বোলিং ৩/৫৩।
৫. মোহাম্মদ রফিক: ৮ ম্যাচে ৮ উইকেট, সেরা বোলিং ২/২১।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর