× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২১ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার
চট্টগ্রামে বিএনপি নেতারা

খালেদাকে ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না

শেষের পাতা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শনিবার, ৯:৫৩

এই সরকার যেমনি অমানবিক তেমনি দানবিক। এই দুটো ছাড়া আর কোনো গুণ নেই এই সরকারের। সরকারের হাতে দেশের জনগণ যেমন নিরাপদ নয়, তেমনি দেশের সম্পদ লুটপাট করেছে শুধু। আসন্ন নির্বাচনেও ভোট লুটের সকল নীলনকশা তৈরি করে ফেলেছে এই সরকার। তাই সেনাবাহিনী ছাড়া আগামী জাতীয় নির্বাচন কোনো দিনও সুষ্ঠু হবে না। এমন কথা বলেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার লালিয়ার হাট মাদরাসা মাঠে জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।

বলেন, এ সরকার বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে জেলে বন্দি করে রেখেছে। বিএনপির বয়োবৃদ্ধ নেতাদেরকেও জেলে বন্দি করে রেখেছে।
যাতে ভোটের মাঠে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকে। এ সুবাধে ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের মতো দানবীয় কায়দায় ভোট কেড়ে নিয়ে আবারও ক্ষমতায় যাওয়া নীলনকশা তৈরি করে রেখেছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেয়া যাবে না। নেত্রীসহ সব রাজবন্দিকে মুক্তির জন্য আমাদের আরো ইস্পাত কঠিন আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

অতীতের মতো বীর চট্টগ্রাম থেকে আন্দোলনের এই তীব্রতা বাড়াবেন নেতাকর্মীরা।  নজরুল ইসলাম খান বলেন, সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মতো দলের প্রতি অনুগত নেতা রাজনৈতিক অঙ্গনে আর জন্মাবে না। ওয়াহিদুল আলমের মৃত্যুকালে তার দুঃখ ছিল একটাই নেত্রীকে তিনি মুক্ত দেখে যেতে পারেননি। রাজনৈতিক জীবনে সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজনীতি করার আহ্বানই ছিল সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের রাজনৈতিক শেষ বক্তব্য। বিএনপি নেতাকর্মীদের তার বক্তব্য মেনে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

শোকসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজনীতিতে ওয়াহিদুল আলমের অবদান আলোচনায় শেষ করা যাবে না। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন ছিলেন তিনি। প্রতিটি রাজনৈতিক সংকটে ছিলেন সহায়কের ভূমিকায়। তিনি ছিলেন একজন সৎ ও ত্যাগী রাজনীতিবিদ। রাজনীতিতে তার অবদান ছিল অসাধারণ। তাই চট্টগ্রাম মহানগরে আরও একটি শোকসভা করার ঘোষণা দেন তিনি।    

চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য  দেন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির  চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম  বীরপ্রতীক, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, গোলাম আকবর খন্দকার, এসএম ফজলুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ডা. শাহাদাত  হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, দীপেন দেওয়ান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, ফরিদা ইয়াসমিন, প্রয়াত সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের কন্যা ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা। শোকসভায় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ানসহ চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গদলের নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার সাধারণ মানুষ অংশ নেন। শোকসভা শেষে প্রয়াত সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের লালিয়ারহাটস্থ বাড়িসহ স্থানীয় তিনটি কমিউনিটি সেন্টারে একযোগে অর্ধলক্ষাধিক লোককে মেজবানে আপ্যায়ন করা হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর