× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা রম্য অদম্য
ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার

নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় লাখো মানুষের ঢল

রকমারি

নওগাঁ প্রতিনিধি | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শনিবার, ৬:৩৮

নওগাঁ’র ছোট যমুনা নদীতে আয়েজিত নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা, লাখো মানুষের মনে আনন্দের জোয়ার বইয়ে দিয়েছে। বাঙালীর হারিয়ে যাওয়া প্রায় এই নৌকা বাইচ একদিকে প্রবীন মানুষের মনে যেমন পুরানো স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছে অন্যদিকে নবীনদের হৃদয়ে এক নতুন অনুভুতির জন্ম দিয়েছে।

নওগাঁ’র ঐতিহ্যবাহি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশে পরিষদ সংগঠনের ২৫ বছর পুর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার বিকেলে নওগাঁ শহরের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত ছোট যমুনা নদীতে এই নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

নৌকা বাইচের খবর শুনে দুপুরের পর থেকে নওগাঁ শহরসহ আশে পাশের হাজার হাজার সারিবদ্ধ মানুষ আসতে শুরু করেন। নদীর দু’পারের মানুষের কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠে যমুনার দুই তীর। নৌকা বাইচের সীমানা উত্তরে খলিশাকুড়ি সংলগ্ন জগৎসিংহপুর থেকে লিটন সেতু পর্যন্ত। প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে নদীর দুইধারে উৎসুক জনতা ভীড় জমাতে থাকেন। নারী পুরুষ শিশু কিশোর কিশোরী বালক বালিকা সব বয়সের সব পেশার হাজার হাজার মানুষ নদীর দুইধারে অবস্থান নিতে থাকেন। এ ছাড়াও নদীর দুই ধারের একতলা থেকে শুরু করে বহুতল বাড়ির ছাদে ছাদে, কার্নিশে উৎসুক দর্শকের ঢল। এ যেন এক উৎসবের শহরে পরিনত হয়েছিল সেদিন।
নির্দিষ্ট সময়ে বিকাল ৪টায় নদীর দুই ধারে কানায় কানায় পূর্ন হয়ে পড়ে। আর তিল ধারনের ঠাই থাকে না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই সোনার তরী কবিতার মত। ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই ছোট সে তরী আমারই সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।

বিকেল ৪টায় জগৎসিংহপুর অংশে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসেন। একুশে পরিষদের সভাপতি এ্যাড. ডি এম আব্দুল বারী’র সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ১৬ বিজিবি’র অধিনায়ক লেঃ কর্নেল খাদেমুল বাশার, নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও একুশে পরিষদের উপদেষ্টা মোঃ কায়েস উদ্দিন এবং সংগঠনের সাধারন সম্পাদক এম এম রাসেল বক্তব্য রাখেন।

প্রতিযোগিতায় মোট ১১ টি নৌকা অংশগ্রহন করে। এতে সদর উপজেলার হাসাইগাড়ি গ্রামের আলেপ মোল্লাার আস্তানমোল্লা নামক নৌকা প্রথম, শৈলগাছি গ্রামের মহসীন প্রামানিকের পঙিাখরাজ নামক নৌকা দ্বিতীয় এবং বলিহার মাখনা গ্রামের মোজাম্মেল হকের তুফান মেইল নামক নৌকা তয় স্থান লাভ করে। প্রতিযোগিতা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। পুর¯কার হিসেবে ১ম স্থান অধিকারী নৌকাকে ১০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারী নৌকাকে ৭ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী নৌকাকে ৫ হাজার টাকা পান।এ ছাড়াও পুলিশ সুপার ব্যক্তিগতভাবে বিজয়ী তিন নৌকার মালিককে ১ হাজার টাকা করে ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কৃত করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর