× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার

ট্রাম্পের সঙ্গে অনেক বিষয়ে একমত নন মেলানিয়া

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৭ অক্টোবর ২০১৮, রবিবার, ১:৩৩

স্বামী ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সব সময় একমত পোষণ করেন না যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। তিনি এ বিষয়টি স্পষ্ট করে ট্রাম্পকে বলেছেনও। মেলানিয়া আফ্রিকা সফর শেষে মিশরে কথা বলছিলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে। সেখানেই তিনি এই মন্তব্য করেন। বলেন, তার স্বামী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি যেসব টুইট করেন তার সঙ্গে সব সময় একমত হন না মেলানিয়া। এ কথা তাকে বললেও তিনি তাতে কর্ণপাত করেন না। মেলানিয়া আফ্রিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় পরিচালিত প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেন এবং আফ্রিকান নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ খবর দিয়েছে অনলাইন স্কাই নিউজ।
এ বছর জানুয়ারিতে অভিবাসন নিয়ে হোয়াইট হাউসে একটি বৈঠকে আফ্রিকার কিছু দেশ নিয়ে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি ওই সব দেশকে ইংরেজিতে ‘সিদহোলস’ বা নোংরা দেশ বলে আখ্যায়িত করেন। এ নিয়েই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় মেলানিয়া ট্রাম্পকে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি যেসব দেশ বা স্থান সফর করেছেন তা কি ‘সিদহোলস’ কিনা। এমন প্রশ্নের জবাবে মেলানিয়া বলেন, তিনি যা টুইট করেন সব সময় আমি তার সঙ্গে একমত পোষণ করি না। এ বিষয়টি আমি তাকে বলেছি। আমি তাকে সৎ মতামত ও পরামর্শ দিই। কখনো তাতে কর্ণপাত করেন। কখনো করেন না। কিন্তু আমার নিজের তো কথা আছে। আমার নিজের মতামত আছে। তা প্রকাশ করাটা আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি তাকে আমার মতামত জানাই। তার অনেকটাতে আমরা একমত হই না। আমি তো নির্বাচিত নন। তিনি তো প্রেসিডেন্ট।
মেলানিয়া ট্রাম্প আফ্রিকা সফরে গিয়ে একটি সাফারি হ্যাট পরেছিলেন। তা নিয়ে অনেকে সমালোচনা করেছেন। এর সঙ্গে অনেকে ঔপনিবেশিকতাকে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেলানিয়া এ নিয়ে কথা বলতে রাজি হন নি। তবে তিনি বলেছেন, সবেমাত্র আমরা আমাদের চমৎকার সফরটি শেষ করেছি। আমরা ঘানা গিয়েছি। মালাবিতে গিয়েছি। গিয়েছি কানাডা, মিশর। আমি আমার এই সফর নিয়ে কথা বলতে পারি। কি পরেছি তা নিয়ে নয়। আমি যা করি সেটাই আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ইউএসএইড নিয়ে কি কাজ করছি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
মেলানিয়া বলেন, এই সফরে তার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত করা। যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় যেসব কাজ হচ্ছে সে সম্পর্কে জানা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর