× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার

মাকে বেঁধে সন্তানকে গরম খুন্তির ছ্যাকা

অনলাইন

বন্দর(নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি | ৯ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার, ৫:০১

মোবাইল  চোর আখ্যা দিয়ে মা’কে ডাব গাছের সঙ্গে  বেঁধে  রেখে দুই শিশু সন্তানকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে লোহার খুন্তি গরম করে শিশু সুমীর (৬) পায়ে ও হাতে এবং মারুফের (৮) হাতে ছ্যাকা দিয়েছে। এ ঘটনায় ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগী মনি আক্তার।  মামলার প্রধান আসামী মদনপুর ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য খলিলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না বলে অসহায় মনি আক্তার নিরাপত্তাহীনতায় আছেন।


সূত্রমতে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া এলাকার ভাড়াটিয়া সালাউদ্দিন রহমান জীবনের স্ত্রী মনি আক্তার বুধবার দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান মেম্বারের বাড়িতে খাবার খেয়েছেন। খাবার খেয়ে মনি আক্তার দুই সন্তানকে নিয়ে চলে আসার সময় তাকে মোবাইল চোর আখ্যা দিয়ে মনি আক্তারকে ডাব গাছের সঙ্গে বেঁধে  রেখে তার দুই শিশু সন্তানকে লাঠি দিয়ে প্রহারের পর লোহার খুন্তি গরম করে শিশু সুমীর পায়ে ও হাতে এবং মারুফকে হাতে ছ্যাকা দেয়া হয়। ৪ ঘন্টা আটকে রাখার পর অবস্থা বেগতিক দেখে তাদের ছেড়ে দেয় খলিল মেম্বার। ওই দিন রাতেই নির্যাতিতা মনি আক্তার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। নির্যাতনের শিকার মনি আক্তার অভিযুক্ত  মেম্বার ও তার সহযোগীদের বিচারের দাবিতে ৪ দিন যাবত প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়।

কিন্তু  কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে  বিষয়টি জেলা পুলিশের  উর্ধ্বতর মহলের দৃষ্টিগোচরে পড়লে কর্তৃপক্ষের চাপে থানা পুলিশ মনি আক্তারকে ডেকে এনে ইউপি সদস্য খলিল মেম্বারসহ ৩ সহযোগীর বিরুদ্বে মামলা গ্রহণ করেন।


মামলা করার পর  থেকে অভিযুক্ত মেম্বার ও থানা পুলিশের হুমকিতে শিশু সন্তানদের নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে মনি আক্তার।   মামলার তদন্তকারী অফিসার ইন্সপেক্টর কুতুবে আলম বলেন, আসামী  গ্রেপ্তারের জন্য খলিল মেম্বারের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, খলিল মেম্বারকে এলাকায়  প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখেছেন তারা। আওয়ামীলীগ নেতা হওয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে না।
 


অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর