× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজ

র‌্যাঙ্কিং ঝুঁকির পরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ভাবনা

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১০ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার, ৯:২৩

সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল দু’জন মাঠে ফিরতে দুই-তিন মাস লাগবে। ইনজুরির কারণে তাদের ছাড়াই বাংলাদেশকে খেলতে হবে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হোম সিরিজ। মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুশফিকুর রহীম ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মোস্তাফিজুর রহমানও আছেন ইনজুরিতে। যদিও তারা খেলবেন। কিন্তু সেখানেও থাকছে ঝুঁকি। শুধু তাই নয় জাতীয় দলের কম বেশি অনেক ক্রিকেটারই ছোট বড় ইনজুরিতে ভুগছেন। কেউ খেলছেন ইনজেকশন নিয়ে কেউবা ব্যথা নাশক ঔষধ খেয়ে। জাতীয় দলে ফিরতে পারে এমন অনেক ক্রিকেটারও ইনজুরির সঙ্গে লড়াই করছেন।
এর মধ্যে অন্যতম পেসার তাসকিন আহমেদ। ২০১৯ এর বিশ্বকাপে সেরা দল ঠিক রাখতে হলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) চাইছে না ইনজুরি আক্রান্ত ক্রিকেটার খেলিয়ে ঝুঁকি নিতে। এমনিতে সাকিবকে এশিয়া কাপে খেলিয়ে তোপের মুখে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। যদিও তার দাবি সাকিব নিজেই খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এইসব ঘটনাতে নড়েচড়ে বসেছেন তিনি। যে কারণে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে দল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা। তিনি বলেন, ‘সামনে  যেহেতু ওয়ার্ল্ড কাপ। সে কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক্সপেরিমেন্ট করা হবে।’
টাইগার ক্রিকেট দলের সামনে ব্যস্ত সূচি। এ মাসেই বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখবে জিম্বাবুয়ে দল। শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে মিরপুর শেরেবাংলা মাঠে। এরপর সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ হবে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। সেখান থেকে দুই দলই চলে যাবে সিলেটে। সিরিজের প্রথম ম্যাচ দিয়েই সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের টেস্ট অভিষেক। এরপর শেষ টেস্ট ফের ঢাকায়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ওয়ানডে ও দুই টেস্ট ম্যাচে জয় ছাড়া অন্য চিন্তা করা যাবে না। কারণ দলটি দুই ফরমেটের র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ থেকে পিছিয়ে। ওয়ানডে সিরিজে একটি ম্যাচ হারলেই টাইগাদের পয়েন্ট কাটা যাবে। টেস্টেও একই অবস্থা। যে কারণে সাদামাটা দল নিয়েও নামা যাবে না। আবার সিনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়েও ঝুঁকি নেয়া যাবে না। তাই মাশরাফি, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহদের খেলাটা জরুরি। কিন্তু তাদের সাপোর্ট দিতে হবে নতুন ও তরুণ ক্রিকেটারদের। তাই কতটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো সম্ভব তাও বলা কঠিন। এ নিয়ে প্রধান নির্বাচক নান্নুও বলেছেন তারা সাকিব ও তামিমকে ছাড়া সম্ভাব্য সেরা দলই খেলাতে চান। তবে এই দু’জনের বিকল্প হবেন কে! এরই মধ্যে ওয়ানডেতে লিটন দাস নিজেকে প্রমাণ করেছেন। যদিও সেই ম্যাচে লিটনের সঙ্গী ছিলেন সাত আটে খেলা মিরাজ। তাই ওপেনিংয়ে তার সঙ্গী নিয়ে চিন্তা থাকছেই। আর টেস্টেতো ওপেনিং হবে বড় চিন্তার নাম। আর এই কারণেই নাজমুল হাসান তাদের পরিবর্তে নতুন কাউকে খেলিয়ে সেরে নিতে চান পরীক্ষা। তিনি বলেন, ‘তামিম-সাকিবের জায়গায় নতুন কাউকে তো খেলাতেই হবে। এক্সপেরিমেন্ট যা করা দরকার এই সময়েই করা হোক। সামনেই বিশ্বকাপ সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ নাই।’
কি ধরনের পরীক্ষা হতে পারে তারও একটি ধরণা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, ‘নতুনদের প্রইমারি স্কোয়াডে এনে দেখবে। ভালো মনে হলে রাখবে। বেশ কিছু প্লেয়ার আছে, তারা পুরনো, তারা ইনজুরিতে ভুগছে। তবে মুশফিক বেশ ফিট। আমি ওর সঙ্গে কথা বলেছি, ও প্রায় ঠিক। কিছু প্লেয়ার চোট প্রবণ। সবচেয়ে বেশি ছিল মাশরাফি, আল্লাহর রহমতে এখন ভালো আছে। মোস্তাফিজও আছে, এজন্য ওকে সাবধানে রাখতে চাচ্ছি। বাইরে খেলাটাও উৎসাহিত করছি না ওর।’
জিম্বুয়ে সফরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা থাকলেও হয়তো বড় কোনো ঝুঁকি নেয়া যাবে না। সে কারণে ব্যাটিংয়ে  সৌম্য সরকার, এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ছাড়াও পেস আক্রমণে তাসকিন আহমেদের মতো পরীক্ষিত ক্রিকেটারের ওপর ভরসা করতে হতে পারে বিসিবিকে। যদিও তাদের ফর্ম নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সন্দেহ। তাই দু-একজন নতুন ব্যাটসম্যান ও বোলারের নামও  জোরালো ভাবে শোনা যাচ্ছে পরীক্ষা-নিরীক্ষার তালিকাতে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর