× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার

আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিভক্তি, ফের শাহবাগ অবরোধ

শেষের পাতা

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার | ১০ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার, ৯:৫৩

এবার নিজেরাই বিভক্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালের দাবিতে আন্দোলনকারী মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা। গত পরশু এক পক্ষ ১৪ই অক্টোবর পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করলেও আরেক পক্ষ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে গতকাল বিকালে মাঠে ছিল। ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’র কমিটি নিয়েও তৈরি হয়েছে  পৃষ্ঠা ২০ কলাম ৪
জটিলতা। গত পরশু নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান একটি কমিটি গঠন করলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ‘মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড’র সাবেক সভাপতি মেহেদী নিজেকে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। তার নেতৃত্বে গতকাল বিকালে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ শাহবাগ অবরোধ করে।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় তারা। এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মন্ত্রী পরিষদের সব ধরনের কোটা বাতিলের সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করে টানা ছয়দিন আন্দোলন করে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন। তাদের এই চলমান আন্দোলনে সংহতি জ্ঞাপন করতে এসে গত সোমবার রাতে আন্দোলনের দায়িত্ব নিয়ে নৌ-মন্ত্রী শাজাহান খান আগামী ১৪ তারিখ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেন।
এ সময় মন্ত্রী হেলাল মোর্শেদ খানকে আহ্বায়ক ও ওসমান আলীকে সদস্য সচিব করে গঠন করেন ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মঞ্চ’র কমিটি।

এরপরই আন্দোলনকারীদের আরেকটি অংশ মন্ত্রীর আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তারা আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। বিভক্ত হওয়া ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’র আহ্বায়ক হিসেবে ঘোষণা করা হয় মেহেদী হাসানের নাম। তিনি মুক্তিযুদ্ধ সংসদ সন্তান কমান্ডের সাবেক সভাপতি ছিলেন। যদিও তিনি নিজেকে বর্তমান সভাপতি হিসেবেও দাবি করে থাকেন। এর আগে সোমবার রাতে মেহেদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তাকে আহ্বায়ক নির্বাচিত করায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এবং সবাইকে মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় শাহবাগে আসার আহ্বান জানান। গতকাল বিকেলে আবার তারা শাহবাগ মোড় অবরোধ করে। এ সময় আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

জানতে চাইলে মেহেদী হাসান বলেন, এই আন্দোলন মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের। গতকাল আন্দোলন স’গিত হলেও তার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি নিজেকে এই আন্দোলনের আহ্বায়ক এবং আকম জামাল উদ্দিন ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’র মুখপাত্র বলে দাবি করেন। যদিও গত সোমবার আকম জামাল আন্দোলনের নেতৃত্ব মন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি আল মামুন বলেন, আন্দোলন আমাদের পিতাদের (শাজাহান খান) হাতে তুলে দিয়েছি। তাদের নেতৃত্বে (মুক্তিযুদ্ধ চেতনা মঞ্চ) আগামী ১৪ তারিখ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। তবে এখন যারা আন্দোলন করছে তাদের কারণে সৃষ্ট সমস্যার দায়ভার আমাদের না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর