× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৫ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার

মানহানি নিয়ে ইবি ভিসিকে চিঠি

শিক্ষাঙ্গন

ইবি প্রতিনিধি | ৫ নভেম্বর ২০১৮, সোমবার, ১:২৬

মানহানির প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে লিখিত চিঠি দিয়েছে সাবেক এক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সিদাতাদের ফেস্টুনে ভুলক্রমে ওই শিক্ষার্থীর ছবি ব্যবহার করায় চিঠি দেয়া হয়। তবে দুই দিন হলেও প্রচারনার ওই ফেস্টুন সরায়নি প্রশাসন।

সূত্র মতে, ভর্তি পরীক্ষা অসদুপায় ও প্রক্সি থামাতে মেইন গেটে সাবধনতা শিরোনামে বেশ কিছু ফেস্টুন লাগানো হয়। এতে বিগত বছরগুলোতে প্রক্সি দিয়ে আটক হওয়া আসামীদের ছবি সংযুক্ত করা হয়। ফেস্টুনগুলো টানানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে ব্যাপক প্রচার করা হয়। ফেস্টুনের ৮টির মধ্যে ২টি ছবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র আব্দুল মোতালেব’র ছবি জুড়ে দেয়া হয়। তবে প্রক্সি দাতাদের সাথে মোতলেব’র ২টি ছবি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় (১২/১২/২০১৮তারিখের) আটক হবার বলে দাবি করেছে সে। অথচ গত বছর ভর্তি পরীক্ষা হয় ২৩-২৭ নভেম্বর পর্যন্ত।
ভুক্তভূগী শিক্ষার্থী ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের ছাত্র ছিল। এঘটনার পর সে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর ও জনসংযোগ অফিসে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়ে সেগুলো সারিয়ে ফেলার অনুরোধ জানায়। এতে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। পরে ভিসি, রেজিস্ট্রার ও সাংবাদিকদের বরাবর প্রতিকার চেয়ে লিখিত আবেদন জানায়। সে ভিসি ড. রাশিদ আসকারীকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর প্রচারণার সুষ্ঠু সমাধান করে বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের দাবি জানায়। তবে আবেদন করার দুই দিন হলেও ওইসব ফেস্টুন ও প্রচারণা সরাতে দেখা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগের দিন প্রধান ফটকে ইবি থানার ওসির নেতৃত্বে ওইসব ফেস্টুন লাগানো হয়। অভিযোগের ব্যাপারে ওসি মো: রতন শেখ বলেন, ‘ফেস্টুন তৈরীর জন্য প্রক্টর ড. মাহবুব আমার কাছে ছবি চেয়েছিলেন। আমার দেয়া ফাইল ফুটেজে তার দুটি ছবি ভুলবশত চলে যায়।’ প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমার কাছে ফোনে অভিযোগ করেছিল। তবে প্রশাসন থেকে আমাকে এখনও কোন সিদ্ধান্ত দেয়া হয়নি।’ এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম আব্দুল লতিফ বলেন, ‘ভিসি অফিসে এসংক্রান্ত একটি আবেদন এসেছে। এখনোও এটি নিয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর