× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ২৪ মার্চ ২০১৯, রবিবার

ইবির ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা বাতিলের দাবি

শিক্ষাঙ্গন

ইবি প্রতিনিধি | ৫ নভেম্বর ২০১৮, সোমবার, ৬:৪৪

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠিতব্য ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভূক্ত ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা বাতিলের দাবি উঠেছে। প্রশ্নপত্র এবং ওএমআর শিটের গড়মিলের কারণে অকৃতকার্য হবার আশঙ্কা করছে অধিকাংশ পরীক্ষার্থী। হ-য-ব-র-ল ভাবে তিন ধরনের নির্দেশনায় উত্তর নেয়ায় পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন পরিদর্শক ও পরীক্ষার্থীরা।

সূত্র মতে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে নয়টায় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভূক্ত ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু হয়। প্রশ্ন দেয়ার মিনিট দশেকের মধ্যে বিভিন্ন হল থেকে অভিযোগ আসতে থাকে। পরীক্ষায় বাণিজ্য শাখার চার হাজার ৪১৬জন এবং অবশিষ্ট অন্যান্য বিভাগের পরীক্ষার্থীর জন্য প্রশ্ন করেন তিন সদস্যের কমিটি।

কমিটির প্রধান ছিলেন ব্যবসায় অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. অরবিন্দ সাহা। এতে সদস্য ছিলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. রুহুল আমীন এবং ভিসি মনোনীত ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষক বখতিয়ার হাসান।

তারা ইংরেজী ৩০, ব্যবসায় ১৫, হিসাববিজ্ঞানের ১৫ এবং লিখিত ২০টি প্রশ্ন দিয়ে ক্রমবিন্যাস করেন। কিন্তু ওএমআরে (অপটিক্যাল মার্ক রিডার ) বণিজ্য শাখার উত্তরপত্রে প্রথমে হিসাববিজ্ঞান ও পরে ব্যবসায় বিভাগের উত্তরের ক্রমবিন্যাস ছিল। এতে অধিকাংশ পরীক্ষার্থী প্রশ্নক্রম অনুযায়ী উত্তর দেয়া শুরু করে।
এসময় অসঙ্গতি নজরে আসলে পরীক্ষার্থীরা হতভম্ভ হয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। পরে হল পরিদর্শকের নির্দেশনায় কিছু কক্ষে ওএমআর অনুযায়ী উত্তর করতে বলা হয়। কয়েকটি হল থেকে অভিযোগ আসে, ওএমআর শিটে ‘হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবসায়’ শিরোনাম কেটে সংশোধন করিয়ে উত্তর নেয়া হয়।

পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট বৃত্ত ছাড়া ওএমআর শিটে দাগ বা লেখা হলে সেই উত্তরপত্র বাতিল হয়ে যায়। তাহলে আমরা কিভাবে পাস করবো?

এদিকে বিজ্ঞান ভবনে কয়েকটি পরীক্ষা হলে উত্তরপত্র ভুল হওয়ায় সেসব ওএমআর বাতিল করা হয়। পরে ৩০ মিনিট দেরিতে তাদের পরীক্ষা নেয়া হয়। একই সঙ্গে লিখিত ২০টি প্রশ্নের ক্রমবিন্যাস ১ থেকে হবার কথা থাকলেও সেগুলো ৬১-৮০ পর্যন্ত সাজানো ছিল। যাতে তাদের বাড়তি বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

পরীক্ষার্থী মাসুম, নিশাতসহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করেন, ‘আমাদের হলে তো কোন নির্দেশনা দেয়া হয়নি। আমাদের রেজাল্ট কিভাবে হবে? এভাবে পরীক্ষা নেবার কোন মানে হয়না। আমাদের আবার পরীক্ষা নেয়া হোক।’

এ ব্যাপারে সিনিয়র শিক্ষক ও হল পরিদর্শক প্রফেসর ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, ‘এটা কখনও সুষ্ঠু পরীক্ষা হতে পারে না। ইবির ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে জঘন্য পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। সি ইউনিটে যে সমস্যা হয়েছে তাতে অধিকাংশ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হবে। আমি এই পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেবার দাবি জানাচ্ছি।

ইউনিট সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. অরবিন্দ সাহা বলেন, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে হলগুলোতে উত্তরপত্রের ক্রমান্বয়ে ওএমআর পূরণ করতে নির্দেশ দিয়েছিলাম। সন্ধ্যায় আমরা বিষয়টি নিয়ে অনুষদীয় সভা করে সিদ্ধান্ত নিবো। সে সিদ্ধান্তের আলোকে প্রশাসন পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর