× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, সোমবার

জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় সোডিয়াম সালফেট আমদানি নিষিদ্ধের দাবি

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ৮ নভেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ৯:৫০

জনস্বাস্থ্যের বিবেচনায় সোডিয়াম সালফেট আমদানি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতি। অথবা দেশীয় লবণ শিল্প রক্ষায় সোডিয়াম সালফেট আমদানিতে ১০০ ভাগ কাস্টমস ডিউটি আরোপ করতে হবে। চাহিদার প্রয়োজনে ঘাটতি পরিমাণ লবণ পূর্বের ন্যায় মিল মালিকদের মাধ্যমে সমহারে আমদানির অনুমতি প্রদানের সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে হবে। গতকাল রাজধানীর তোপখানায় রোডস্থ হোটেল প্যালেসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ। ‘জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক বিষাক্ত সোডিয়াম সালফেটে বাজার সয়লাব:ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দেশীয় লবণ শিল্প’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি নুরুল কবির বলেন, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক সোডিয়াম সালফেট লবণ হিসেবে ব্যবহার, সোডিয়াম সালফেটের নামে ফিনিশড লবণ আমদানি,  বৈষম্যমূলক শুল্কনীতি এবং বিসিকের তথ্য বিভ্রাটের কারণে দেশীয় লবণ শিল্প ও চাষীরা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। ইতিমধ্যে ৩ শতাধিক মিল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রায় লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হওয়ার পথে রয়েছেন। অপরদিকে, সোডিয়াম সালফেট খেয়ে ভোক্তাদের লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর মতো শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ জটিল রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন।
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি আরো  জানান, সোডিয়াম সালফেট মিশ্রিত খাওয়ায় ভোক্তাদের হার্ট ও লিভারে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সভাপতি আরো বলেন, কিছু চিহ্নিতকারী অসাধু সিন্ডিকেট চক্র এ শিল্প ধ্বংসে মিল মালিক ও চাষীদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। লবণ মিল মালিকদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, লবণ চাষী ভাইয়েরা এবং লবণ মিলমালিকরা একে অপরের পরিপূরক। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিসিকের তথ্য বিভ্রাটের কারণে বেশির ভাগ মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আগামী মৌসুমের উৎপাদিত লবণ চাষীরা বিক্রি করতে পারবে না বলে আশঙ্কা মিলমালিকদের। তিনি জানান, চাহিদা বাড়লেও উৎপাদনের জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়ায় প্রতি বছর দেশে লবণ উৎপাদনের পরিমাণ কমছে। অন্যদিকে শিল্পকারখানায় লবণের চাহিদা বাড়ছে। বছরে ২০ লাখ টনের চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয় সাড়ে ১৪ লাখ টন। ঘাটতি থাকলেও এ বছর লবণ আমদানির অনুমতি দেয়া হয়নি। ফলে সোডিয়াম সালফেট সরাসরি প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করছে অসাধুচক্র।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর