× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার
ঢাকা, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, রবিবার
নি র্বা চ নী হা ল চা ল, ময়মনসিংহ ৭

প্রার্থীজটে কাহিল ত্রিশাল আওয়ামী লীগ-বিএনপি

শেষের পাতা

মতিউল আলম, ময়মনসিংহ থেকে | ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, ১০:০২

ত্রিশাল উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ-৭ আসন। আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসন। গেল ১০টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ছয়বার, বিএনপি দুইবার ও জাতীয় পার্টি দুইবার জয়ী হয়। ১৯৭০ সালে এমএনএ ছিলেন আওয়ামী লীগের আবুল মুনসুর আহমেদ, ’৭৩ সালে আওয়ামী লীগের আবদুস ছালাম তরফদার, ’৭৯ সালে আওয়ামী লীগ থেকে দলবদল করে বিএনপি’র এমপি হন আবুল মুনসুর আহমেদ, ’৮৬ সালে আওয়ামী লীগের আবদুস ছালাম তরফদার, ’৮৮ সালে জাপার আনিসুর রহমান মানিক, ’৯১ সালে বিএনপি’র আবদুল খালেক, ’৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি’র মাহবুব আনাম, ১৯৯৬ সালের ১২ই জুনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের আবদুল মতিন সরকার, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের এডভোকেট রেজা আলী এবং ২০১৪ সালে মহাজোটের শরিক দল জাপাকে আসনটি ছেড়ে দেয়ায় জয় পান জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য এমএ হান্নান।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এ আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি থেকে দেড় ডজনেরও বেশি মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন। গত নির্বাচনে মহাজোটের শরিক দল জাতীয় পার্টিকে আসনটি ছেড়ে দেয়ায় জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য এমএ হান্নান এমপি নির্বাচিত হন।  বর্তমানে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধে কারাগারে থাকায় এ আসনের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। আগামী নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন ক্ষমতাসীন দলের সাবেক তিন এমপি ও একাধিক উদীয়মান নেতাসহ ১৪ জন। বর্তমান লড়াই-সংগ্রাম ও রাজপথের আন্দোলনে বিএনপি’র দলীয় কার্যক্রম ঢিমেতালে হলেও পিছিয়ে নেই তারাও।
নির্বাচন সামনে রেখে হারানো এ আসন পুনরুদ্ধারে অনেকটাই কোমর বেঁধে মাঠে রয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। আর আসন ধরে রাখতে মরিয়া জাতীয় পার্টি ।

এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য হাফেজ মাওলানা রুহুল আমীন মাদানী, সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মতিন সরকার, সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এডভোকেট রেজা আলী, ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জালাল উদ্দিন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নবী নেওয়াজ সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন আকন্দ, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এএনএম শোভা মিয়া আকন্দ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও  সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আহাম্মদ আলী আকন্দ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, কালান্তর গ্রুপের চেয়ারম্যান, টিভি উপস্থাপক ও সাংবাদিক শরীফ তালুকদার, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম হাবিবুর রহমান খান, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জুয়েল সরকার মনোনয়ন চাইবেন।

আওয়ামী লীগ: ২০০৮ সালে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ২০১২ সাল থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন এডভোকেট রেজা আলী। গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দলীয় মনোনয়ন পেয়েও প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন তিনি। রেজা আলী দাবি করেন, উপজেলায় তৃণমূল পর্যন্ত সংগঠন সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ রয়েছে, সংসদ সদস্য থাকাকালীন ত্রিশালে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। আমি সবসময় নেত্রীর নির্দেশে সংগঠনের কাজ করছি। আগামী নির্বাচনে এ আসনটিতে যে বিজয়ী হবেন দল তাকেই মনোনয়ন দেবে বলে তিনি আশা করেন।

হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী এমপি থাকাকালীন ত্রিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চলে রাস্তাঘাট, মসজিদ-মাদ্রাসা ও স্কুলের ব্যাপক উন্নয়ন করায় দলের বাইরেও তার ব্যক্তি ইমেজের ভোটব্যাংক রয়েছে। নেতাকর্মীরা বলেন, মাদানী এমপি থাকাকালীন ত্রিশালে যে উন্নয়ন  হয়েছে দলীয় মনোনয়ন পেলে মানুষ তাকে ভোট দিয়ে প্রতিদান দিবে। হাফেজ মাদানী বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তবে নির্বাচন করবো। আমাদের দলীয় জরিপের কাজ বেশ কয়েকবার হয়েছে। এলাকার মানুষ আমার পক্ষে সমর্থন দিয়েছে। আশা করি রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে আমি মনোনয়ন পেতে পারি। মনোনয়ন পেলে আসনটি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেবো ইনশাআল্লাহ্‌। তবে দলের সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত।

আবদুল মতিন সরকার ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে বিএনপি’র প্রার্থীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। একাদশ নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেয়ার অনুরোধ জানান দলীয় সভাপতিকে। বলেন, গত ১০ বছর ধরে বহিরাগত লোক এমপি হওয়ার কারণে ত্রিশালে কোনো উন্নয়ন হয়নি। স্থানীয় যোগ্য নেতৃত্বের অধিকারী ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিলে একদিকে যেমন দল লাভবান হবে, আবার ত্রিশালবাসীর প্রত্যাশাও পূরণ হবে। এদিক থেকে মনোনয়নের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী। দল তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি এ আসনটি উপহার দিতে পারবেন এবং ত্রিশালের ব্যাপক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন।

 ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা যুবলীগ সাবেক সভাপতি এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ দুইবার ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি বলেন, ২০১১ সালে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হই এবং ২০১৬ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়েও জনগণের চাপের মুখে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে বাধ্য হই এবং ব্যাপক প্রতিকূলতার মাঝেও মেয়র নির্বাচিত হই। আনিছ বলেন, জনমতের ভিত্তিতে এ পর্যন্ত যত জরিপ হয়েছে তাতে আশা করি, সব জরিপেই আমার নাম এক নম্বরে আছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বিশাল পরিবার। এখানে নেতৃত্বে কোন্দল থাকতেই পারে। স্থানীয় ব্যক্তি এমপি না হওয়ায় আমার ১২টি ইউনিয়ন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। নিবার্চিত হলে ১২টি ইউনিয়নকে আমার পৌরসভার মতো সুন্দরভাবে সাজাতে চাই। বৃহত্তর স্বার্থে, দেশের স্বার্থে, দলের স্বার্থে আমার নেত্রী যা সিদ্ধান্ত নেবেন, আমি তার কর্মী হিসেবে তা মেনে নেবো। আশা করি নৌকা প্রতীক পেলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবো, ইনশাআল্লাহ্‌।

এডভোকেট জালাল উদ্দিন বলেন, স্বচ্ছতা-গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে দলের প্রতি আনুগত্যশীল এবং সৎ মানুষ হিসেবে মনোনয়ন পাই এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি কখনও দলের সিদ্ধান্তের বাইরে অবস্থান নেয়নি। দলীয় কোন্দল যা আছে আমি মনোনয়ন পেলে এখানে তা থাকবে না।

 জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আহাম্মদ আলী আকন্দ বলেন, ত্রিশালের একজন স্থানীয় যোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়া উচিত। ত্রিশাল আওয়ামী লীগ কয়েক ভাগে বিভক্ত। এখানে একজন মনোনয়ন পেলে বঞ্চিতরা বিরোধিতা করবে। সে দৃষ্টিকোণ থেকে আমার কোনো বদনাম নেই। আমার নিজস্ব একটি ভোটব্যাংক আছে। সেদিক থেকে আমি একজন যোগ্য প্রার্থী।
এছাড়া কালান্তর গ্রুপের চেয়ারম্যান, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ তালুকদার জনসংযোগ করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম হাবিবুর রহমান খান বলেন, ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে ত্রিশালবাসীর কাছে আমার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

 বিএনপি: ত্রিশালে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত সাবেক এমপি আবদুল খালেকের মৃত্যুর পর ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন ত্রিশাল বিএনপি’র হাল ধরেন। ২০০৮ সালে দলের মনোনয়ন পেয়েও নির্বাচনে হেরে যান। উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. লিটন বলেন, বিগত ১৬ বছর ধরে দলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছি। তিনি বলেন, দল নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিলে ভোটের মাঠে নামবো। নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গেই রয়েছেন। তবে এখানে মনোনয়ন যেই পাক, ধানের শীষ জয়লাভ করবে-এটি আমি নিশ্চিত। দল যাকে মনোনয়ন দেবে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে আমরা নির্বাচন করবো।

আমাদের দলীয় কোনো কোন্দল নেই, তবে মনোনয়ন প্রত্যাশী তো থাকতেই পারে। সেটি নিয়ে আমাদের কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই। ত্রিশালে বিএনপি খুবই শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ১০ বছর ধরে ত্রিশালে বহিরাগতরা এমপি হওয়ায় ত্রিশালবাসী উন্নয়ন বঞ্চিত রয়েছে।
উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন বলেন, বিএনপি’র দুঃসময়ে দলের হাল ধরেছি এবং জনগণের আস্থা, বিশ্বাস আর ভালোবাসায় তাদের ভোটে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করায় মানুষ আমার প্রতি সন্তুষ্ট। দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। দল আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে আশাবাদী। তবে দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তার পক্ষেই কাজ করবো। এছাড়া উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপি’র সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন সরকারও মনোনয়ন পেতে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

জাপা: জোট-মহাজোটের আসন ভাগাভাগির বিচারে অনেকটাই সুবিধাজনক অবস্থানে বর্তমান প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি জাহাঙ্গীর আহম্মেদ জানান, ময়মনসিংহ সদরসহ ত্রিশাল আসনে রওশন এরশাদ নির্বাচন করবেন। কোনো কারণে যদি তিনি এ আসনে নির্বাচন না করেন, সেক্ষেত্রে আমার নির্বাচন করার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, ময়মনসিংহের উন্নয়নে রওশন এরশাদের ভূমিকা সব আলোচনার ঊর্ধ্বে। ময়মনসিংহ শম্ভুগঞ্জ ব্রিজ, বিভাগ বাস্তবায়ন, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড বাস্তবায়নের অবদান ছাড়াও নতুন আধুনিক উপশহর গঠনে রওশন এরশাদের রয়েছে আন্তরিক চেষ্টা। এর আগে এ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এমএ হান্নান মানবতাবিরোধী অপরাধে জেলে রয়েছেন। গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আসনটি ছেড়ে দিলে লাঙ্গল কাঁধে নিয়ে জাপার এমপি হন আলহাজ এমএ হান্নান। তার অবর্তমানে এখান থেকে জেলা জাতীয় পার্টির জাপা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আহমেদ, জাপা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা জাপার সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুরুজ আলী মণ্ডল মনোনয়ন প্রত্যাশী।
মহাজোটের শরিক দল ময়মনসিংহ জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. সুজিত বর্মণও এ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর